নতুন বইয়ের ঘ্রাণে উচ্ছসিত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বছরের প্রথম দিনেই তাদের হাতে পৌঁছে গেছে নতুন বই। তবে মাধ্যমিক পর্যায়ে এখন পর্যন্ত ৫৬ ভাগ বই পৌঁছেছে স্কুলগুলোতে, বাকি বইগুলো দ্রুত পৌঁছে যাবে বলে দাবি মেহেরপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্বাস উদ্দীনের। আর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের দাবি চাহিদা অনুযায়ী সমস্ত বই বিদ্যালয়গুলোতে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।
এদিকে সোমবার (১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯ টার সময় মেহেরপুর বি এম মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীতের হাতে নতুন বই তুলে দিয়ে বই উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক শামীম হাসান।
এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, নতুই বইয়ের কারিকুলাম নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান। তিনি আরো বলেন, যুগপোযোগী শিক্ষার সাথে তাল মেলাতে অনেক কিছুই পরিবর্তন করতে হচ্ছে। এটি তারই অংশ। বা এটি সবাইকে মনে রাখতে হবে আধুননিক শিক্ষার সাথে তাল মেলাতে না পারলে আমরা পিছিয়ে পড়বো।
অপরদিকে শহীদ ক্যাপ্টেন আশরাফুল হাফিজ খান প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্রচাত্রীদের মাঝে বই বিতরণ করা হয়। স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহানাজ উপস্থিত থেকে বই বিতরণ করেন। নতুন বই হাতে পেয়ে উচ্ছসীত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
বছরের প্রথম দিনে বই হাতে পাওয়ায় শুরু থেকেই পড়ালেখা শুরু করতে পারবে শিক্ষার্থীরা। তবে বইয়ের কাগজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। জেলায় ৪৪৯ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বই প্রয়োজন ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৯১ টি। আর মাদ্রাসা, কারিগরি ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৭০টি। যেখানে বই প্রয়োজন ৮ লাখ ৯৬৭ হাজার।