• শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বিএটিবির দাম কমানোর প্রস্তাবে রাজি হলে সিগারেটে রাজস্ব কমবে ২২০০ কোটি টাকা হেঁটে যাই বিদ্যালয়, দেহ-মন সুস্থ রয় শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন গাংনীতে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল উদ্ধার গাংনীতে উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ের নিচে ব্যাগ দেখে বোমা আতঙ্ক: ব্যাগে মিলল গমের ময়দা গাংনীতে সার বহনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে চালকের জরিমানা মুজিবনগরে অনলাইন জুয়ার এজেন্ট শামীম গ্রেফতার নড়াইলে ৯ কার্যদিবসে ৫ বছরের শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ঘাতকের মৃত্যুদণ্ডাদেশ কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকান্ডে সন্তানসহ কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দম্পতি নিহত মেহেরপুরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের জেলা পরিষদের বৃত্তি প্রদান গাংনীতে ৪ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক: জেল-জরিমানা

তামাকজাতীয় দ্রব্য বিক্রয় বন্ধে ব্যবসায়ী মুকুলের নোটিশ

বিবর্তন প্রতিবেদক
Update : শনিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৪
তামাকজাতীয় দ্রব্য বিক্রয় বন্ধে ব্যবসায়ী মুকুলের নোটিশ
তামাকজাতীয় দ্রব্য বিক্রয় বন্ধে ব্যবসায়ী মুকুলের নোটিশ

স্কুলের পোশাকে নবম শ্রেণির এক ছাত্র দোকানির কাছে সিগারেট চান। এটা শুনে খুব খারাপ লাগে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া বাজারের মুদিদোকানি মুকুল হোসেনের। আরেক দিন এক কিশোর এসে সিগারেট চাইলে তিনি দেননি। এমন কয়েকটি ঘটনার পর মুকুল হোসেন সিদ্ধান্ত নেন, তাঁর দোকানে বিড়ি-সিগারেট বিক্রি করবেন না তিনি।

এরপর মুকুল হোসেন তাঁর দোকানে লেমিনেট করা কাগজ ঝুলিয়ে জানিয়ে দেন, এখানে তামাকজাত সব পণ্য বিক্রি বন্ধ। পাশাপাশি তামাকজাত পণ্য বিক্রি না করার জন্য অন্যদের উৎসাহিত করেন তিনি।

সরজমিনে পাঁচলিয়া বাজারে গিয়ে দেখা যায়, মুকুল হোসেন তাঁর দোকানের সামনের অংশে লেমিনেট করা একটি কাগজ ঝুলিয়ে রেখেছেন। যেখানে লেখা আছে, ‘তামাকজাতীয় দ্রব্য বিক্রয় করা হয় না’। তিনি বলেন, চার বছর হয়েছে তিনি বাজারের উত্তর পাশে এই দোকান করেছেন। মুদিপণ্যের সঙ্গে বিড়ি, সিগারেট, গুল ও জর্দা সবই ছিল। শুরুর দিকেই দেখতে পান, দোকানের আশপাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কিশোর শিক্ষার্থীরা তাঁর দোকানে এসে সিগারেট চায়। প্রথম দিকে দু-একজন শিক্ষার্থীর কাছে সিগারেট বিক্রি করলেও পরে তাদের কাছে বিক্রি বন্ধ করে দেন। দোকান দেওয়ার মাত্র এক মাসের মাথায় তিনি সব ধরনের তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি বন্ধের কাগজটি ঝুলিয়ে দেন।

এ বিষয়ে পাঁচলিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা আবদুল খালেক বলেন, মুকুলের এই উদ্যোগ খুবই ভালো। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশে তামাকজাত পণ্য বিক্রি না করার সিদ্ধান্তটি প্রশংসার দাবি রাখে।

পাঁচলিয়া ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন বলেন, মুকুল স্টোরের লেখাটি তাঁর চোখে পড়েছে। এটা দেখে খুবই ভালো লেগেছে। সবারই উচিত তামাকজাত পণ্য বর্জন করা।

এ বিষয়ে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. আমিনুর রহমান বলেন, ‘ছেলেটি খুব ভালো উদ্যোগ নিয়েছেন। আমরা তাঁর এই কাজকে সাধুবাদ জানাই। তাঁর মতো অন্যরা এগিয়ে এলে তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার অনেকটা কমে যাবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category