• শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বিএটিবির দাম কমানোর প্রস্তাবে রাজি হলে সিগারেটে রাজস্ব কমবে ২২০০ কোটি টাকা হেঁটে যাই বিদ্যালয়, দেহ-মন সুস্থ রয় শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন গাংনীতে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল উদ্ধার গাংনীতে উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ের নিচে ব্যাগ দেখে বোমা আতঙ্ক: ব্যাগে মিলল গমের ময়দা গাংনীতে সার বহনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে চালকের জরিমানা মুজিবনগরে অনলাইন জুয়ার এজেন্ট শামীম গ্রেফতার নড়াইলে ৯ কার্যদিবসে ৫ বছরের শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ঘাতকের মৃত্যুদণ্ডাদেশ কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকান্ডে সন্তানসহ কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দম্পতি নিহত মেহেরপুরে মেধাবী শিক্ষার্থীদের জেলা পরিষদের বৃত্তি প্রদান গাংনীতে ৪ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক: জেল-জরিমানা

গাংনীতে ধ্বসে পড়লো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ওয়াশব্লকের ছাদ

বিবর্তন প্রতিবেদক:
Update : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬
গাংনীতে ধ্বসে পড়লো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ওয়াশব্লকের ছাদ
গাংনীতে ধ্বসে পড়লো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ওয়াশব্লকের ছাদ

পিইডিপি-৪ এর আওতায় মেহেরপুরের গাংনীর পাকুড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। সিমেন্ট, খোয়া ও বালু ব্যবহারের ফলে ইতোমধ্যে ওয়াশব্লকের ছাদের কিছু অংশ ধ্বসে পড়েছে। এতে এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) সকালে এই ছাদ ধ্বসের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখবেন বলে জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।

জানা গেছে, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ১৬ লাখ ৮৮ হাজার ১৩৪ টাকা ব্যায়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে পাকুড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওয়াশব্লকের নির্মাণ কাজে টেন্ডার আহবান করা হয়। কাজ পান চুয়াডাঙ্গার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জাকাউল্লাহ এন্টারপ্রাইজ। কাজের শুরু থেকে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের বালু সিমেন্ট ও ইট ব্যবহার করছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। সেময় থেকে সিডিউলে দেওয়া নিয়মানুযায়ি কাজের জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও প্রধান শিক্ষককে জানালেও তারা বিষয়টি আমলে নেননি। ফলে ঢালাই দেওয়া ছাদের কিছু অংশ ধ্বসে পড়েছে।

পাকুড়িয়া গ্রামের মিজানুর রহমান টিটু আহমেদ ও জিয়াউর রহমান জানান, কাজের শুরুতেই নিম্নমানের ইট ও লোকাল বালু ব্যবহার শুরু করেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। সেসময় প্রধান শিক্ষককে অবহিত করা হয়। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকেও জানানো হলে তারা বিষয়টি আমলে নেন নি। ছুটির দিনেও শ্রমিকরা কাজ করেন। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসের কোন লোকজনকেও পাওয়া যায় না। এখনই ছাদ ভেঙ্গে পড়ছে। কিছুদিন পর গোটা ওয়াশব্লক ভেঙ্গে পড়লে অনেক শিশু শিক্ষার্থীর অকাল মৃত্যু ঘটবে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী, প্রধান শিক্ষক ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের যোগ সাজসে এমন নিম্নমানের কাজ চলছে।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রুপালী খাতুন নিজেকে নির্দোষ দাবী করে জানান, নিম্নমানের কাজের বিষয়ে তিনি জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। তবে তিনি কোন কার্যকরী ব্যবস্থা নেননি। ছাদ করার পর সার্টার খোলার সময় ছাদের কিছু অংশ ভেঙ্গে পড়েছে। এটি এখন ঝুকিপুর্ণ। তিনি বিষয়টি লিখিতভাবে জানাবেন বলে জানিয়েছেন।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মাসুম বিল্লাহ জানান, ছাদ ঢালাইয়ের সময় সংশ্লিষ্ঠ অফিসকে জানাতে হয়। অথচ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কোন রকম অবহিত না করেই কাজ করেছেন। ফলে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে নতুন করে কাজ করার জন্য বলা হবে। তবে নিম্নমানের কাজ হয়েছে বলেও তিনি স্বীকার করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category