• মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:

অনিয়মের অভিযোগের তথ্য না দিয়েই বিদায় নিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান!

বিবর্তন প্রতিবেদক
Update : সোমবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৪
অনিয়মের অভিযোগের তথ্য দিলেন না গাংনী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান!
অনিয়মের অভিযোগের তথ্য দিলেন না গাংনী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান!

উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের অভিযোগ তথ্য প্রাপ্তির আবেদন করা হলেও তা প্রদান না করেই বিদায় নিলেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এমএ খালেক।

রোবাবার গাংনী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের মনোননয়নপত্র দাখিল করায় তিনি আর তথ্য দিতে পারবেন না। গাংনী উপজেলায় কর্মরত জনৈক সাংবাদিক উপজেলা চেয়ারম্যানের দপ্তরে চলতি বছরের ৮ ফেব্রæয়ারী তথ্য অধিকার আইনের নির্ধারিত ফরমে তথ্য চেয়ে আবেদন করেন। কিন্তু অদ্যাবদি এ তথ্য তিনি প্রদান করেননি। তথ্য প্রদানে সহায়তা না করায় সেই অনিয়মের বিষয়গুলো আরও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে বলে করছেন সচেতন মহল।

আগামি ২১ মে গাংনী উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান এমএ খালেক। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। নির্বাচনী আচরণবিধিমালা অনুযায়ী উন্নয়নমূলক কোন কাজে তিনি অংশ নিতে পারবেন না। এছাড়াও সরকারি যানবাহন ও অফিস নির্বাচনী প্রচারের কাজে ব্যবহার করতে পারবেন না। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের উপর অর্পিত দায়িত্বের অনেক কিছুই তিনি করতে পারবেন না বিধায় এ সময়ের মধ্যে তথ্য প্রদান করাও সম্ভব নয় বলে মনে করছেন অনেকে।

জানা গেছে, এমএ খালেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার পর উপজেলা পরিষদের দৈনন্দিন কর্ম সম্পাদন ও প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে । বিভিন্ন ধমীর্য় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সরকারী অনুদান খেলার সামগ্রী প্রদান, সংস্কার কাজ ও ফলকর গাছ টেন্ডার দেওয়াসহ বিভিন্ন প্রকল্পের ব্যায়ের অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। বিশেষ করে বিপুল পরিমাণ অর্থ ফুটবল কেনার ক্ষেত্রে খরচ করা হয়েছে এমন গুঞ্জন ছিল অফিস পাড়াসহ উপজেলাজুড়ে। এসব বিষয়েে প্রেক্ষিতে অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ২০২০-২০২১ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরের যাবতীয় আয় ব্যায়ের তথ্য চেয়ে তথ্য অধিকার আইনের নির্ধারিত ফরমে আবেদন করেন।

আরো জানা গেছে, আবেদনপত্রটি অফিশিয়াল সীল মোহর দিয়ে গ্রহণ করা হলেও অদ্যাবদি তার কোন জবাব দেয়া হয়নি। এ নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই বলছেন, উপজেলা পরিষদের প্রতিটি প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা হয়নি। একজন কর্মচারীর জোগসাজসে সব প্রকল্প বাস্তবায়ন দেখানো হলেও তা নিয়ে সন্তুষ্ট নন ইউপি চেয়ারম্যানসহ উপজেলা সমন্বয় কমিটির সদস্যরা। ভূয়া বিল ভাউচার করার অভিযোগও রয়েছে। প্রতিটি ভিন্ন মাদ্রাসায় বেঞ্চ সরবরাহ করার সময় প্রাপ্তি স্বীকার পত্রে সকল প্রতিষ্ঠান প্রধানের স্বাক্ষর নিলেও বেঞ্চ সরবরাহ করা হয়েছে তার অর্ধেক।

এদিকে তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী কোন প্রতিষ্ঠান প্রথম আবেদন তথ্য না দিলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল এবং সেখানে তথ্য না পেলে তথ্য কমিশনে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক উর্দ্ধতন কর্তপক্ষের কাছে ওই তথ্যের জন্য আবেদন করবেন বলে জানা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category