• মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
যৌতুকের দাবিতে স্বামীর নির্মম নির্যাতনের শিকার গৃহবধু দিপ্তী আমরা রাষ্ট্র এবং জনগণের পক্ষে কাজ করি-বিচারপতি জাফর আহমেদ মেহেরপুরে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ৩ প্রতিষ্ঠানে জরিমানা ১১০ দিনে আলোচিত শিশু তাবাচ্ছুম ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ৬ জেলায় সেনা মোতায়েন গাংনী পৌরসভার বাজেট ঘোষণা ২৯২ বোতল ফেন্সিডিল মামলায় মিনারুলের ১০ বছর কারাদণ্ড বিশ্ব স্থানীয়করণ দিবসে অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষায় স্থানীয়করণের দাবি গাংনীর তপন হত্যা মামলার পলাতক আসামি মন্টু শাহ গ্রেফতার গাংনীতে দুর্বৃত্তের আগুনে পুড়ে ছাই হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ীর স্বপ্ন

কুষ্টিয়ায় কৃষক হত্যার দায়ে ৫ ভাইয়ের যাবজ্জীবন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
Update : সোমবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২২
৫ ভাইয়ের যাবজ্জীবন
কুষ্টিয়ায় কৃষক হত্যার দায়ে ৫ ভাইয়ের যাবজ্জীবন

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর বনগ্রামের কৃষক রেজাউলকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে ১৬ বছর পর ৫ ভাইয়ের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে তাদের ২৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো ১ বছরের কারাদন্ড দেয়া হয়।

সোমবার (৩১ অক্টোবর) কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক মোঃ তাজুল ইসলাম এই রায় ঘোষনা করেন। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার মাঝগ্রামের মৃত রহমত আলী শেখের ছেলে উজ্জল শেখ(৫১), সেজ্জাত প্রকাশ সুজাত শেখ(৪১), সুজন শেখ(৩৯), আব্দুল গফুর শেখ(৬১) এবং জালাল উদ্দিন শেখ(৫৪) ।

অভিযোগ প্রমান না হওয়ায় এই মামলার ৭ আসামীকে বেকসুর খালাশ প্রদান করেন আদালত। রায় ঘোষনার সময় দন্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামীর দধ্যে আব্দুল গফুর, ও জালাল উদ্দিনসহ মামলা থেকে খালাসপ্রাপ্ত ৭জন উপস্থিত ছিলেন। মামলার দন্ডপ্রাপ্ত বাকি ৩ আসামী পলাতক আছে। কুষ্টিয়া জজ আদালতের পিপি অ্যাডঃ অনুপ কুমার নন্দী রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরন এবং এজাহার সুত্রে জানাযায়, কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা মাঝগ্রামের কৃষক আফিল উদ্দিন এবং তার ছোট ভাই জামাল ‍উদ্দিন যৌথভাবে মাঠে সেচ দেওয়ার জন্য একটি যন্ত্রচালিত সেচযন্ত্র পরিচলনা করতো। জমিতে সেচ দেওয়াসহ জমিজমা নিয়ে তাদের সাথে এই মামলার আসামীদের পূর্ব বিরোধ ছিলো। সেই বিরোধের জেরে ২০০৭ সালের ১১ জুন রাত সাড়ে ১০টার দিকে সেচযন্ত্র চালু করার জন্য মাঠে যাওয়ার পথে আসামীরা জামাল উদ্দিন এবং তার ভাগনে রেজাউলকে কুপিয়ে আহত করে। পরে তাদের মধ্যে ঘটনাস্থলেই রেজাউল এর মৃত্যু হয়।

এই ঘটনার পরের দিন নিহতের ভাই আফিল উদ্দিন বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় ১২ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় দীর্ঘ তদন্ত শেষে আসামীদের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ০৭ জানুয়ারী মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। পরে দীর্ঘ শুনানী শেষে ৫জন সাক্ষির সাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তিত্বে আদালত এই রায় ঘোষনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category