• সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
১১০ দিনে আলোচিত শিশু তাবাচ্ছুম ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ৬ জেলায় সেনা মোতায়েন গাংনী পৌরসভার বাজেট ঘোষণা ২৯২ বোতল ফেন্সিডিল মামলায় মিনারুলের ১০ বছর কারাদণ্ড বিশ্ব স্থানীয়করণ দিবসে অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষায় স্থানীয়করণের দাবি গাংনীর তপন হত্যা মামলার পলাতক আসামি মন্টু শাহ গ্রেফতার গাংনীতে দুর্বৃত্তের আগুনে পুড়ে ছাই হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ীর স্বপ্ন মেহেরপুরে ৩৫০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক-২ ইসলামনগর মৌজায় অন্তর্ভুক্তি বাতিলের দাবিতে বাহাগুন্দা গ্রামবাসীর বিক্ষোভ গাড়াবাড়িয়ায় বিএনপি নেতার নাম ভাঙিয়ে জমি দখল, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ

১১০ দিনে আলোচিত শিশু তাবাচ্ছুম ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড

বিবর্তন ডেস্ক:
Update : সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬
১১০ দিনে আলোচিত শিশু তাবাচ্ছুম ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড
১১০ দিনে আলোচিত শিশু তাবাচ্ছুম ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় আলোচিত চার বছর বয়সী শিশু তাবাচ্ছুম ধর্ষণ, হত্যা মামলার একমাত্র আসামি আবু তাহেরের মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। এ ঘটনার মাত্র ১১০ দিনের মাথায় এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করা হলো।

সোমবার (২২ জুন) ঝিনাইদহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সালেহ আহম্মদ জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় প্রদান করেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং মরদেহ গুমের অপরাধে আরও ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে কালীগঞ্জ উপজেলার বারবাজার বাদেডিহি গ্রামের একটি ভাড়া বাড়িতে চিপস ও জুস কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিশু তাবাচ্ছুমকে নিজের কক্ষে ডেকে নেয় আবু তাহের। সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে অপরাধের আলামত গোপন করতে মরদেহটি একটি বস্তায় ভরে স্থানীয় আব্দুল জব্বার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সেপটিক ট্যাংকের ভেতর লুকিয়ে রাখা হয়।

ঘটনার পর আসামি পালিয়ে গেলেও পুলিশি তৎপরতায় ওই দিন মধ্যরাতেই কুষ্টিয়া শহরে ভাইয়ের ভাড়া বাসা থেকে আবু তাহেরকে গ্রেফতার করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে সরকারের বিশেষ নির্দেশনায় মামলাটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। কালীগঞ্জ থানার তৎকালীন ওসি ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেল্লাল হোসেন গত ২৬ মে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। তদন্ত, অভিযোগপত্র দাখিল, চার্জ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে মাত্র সাড়ে তিন মাসের (১১০ দিন) মধ্যে সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সোমবার দুপুরে এই রায় দেন আদালত।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে পিপি অ্যাডভোকেট আকিলুল ইসলাম এবং আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী অ্যাডভোকেট তরিকুল আলম শুনানিতে অংশ নেন।

রায় ঘোষণার পর সন্তোষ প্রকাশ করে আদালত প্রাঙ্গণেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন নিহত তাবাচ্ছুমের বাবা নজরুল ইসলাম ও মা হালিমা খাতুন। তারা বলেন, আমরা আমাদের একমাত্র সন্তানকে হারিয়েছি, যা আর কখনো ফিরে পাব না। তবে আদালতের এই রায়ে আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি। এখন সরকারের কাছে আমাদের একটাই দাবি-এই রায় যেন দ্রুত কার্যকর করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category