যৌতুকের টাকা দিয়েও নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা পায়নি দিপ্তি নামের এক গৃহবধূ। গলাটিপে শ্বাসরোধের চেষ্টায় ব্যার্থ হয়ে বেধড়ক পিটিয়ে হাত ভেঙ্গে দিয়েছে স্বামী। নির্মমভাবে মারধরে অজ্ঞান হয়ে পড়লেও থামেনি নির্যাতন। এই নির্মম নির্যাতনের ঘটনাটি ঘটেছে মেহেরপুর সদর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে।
রবিবার (২১ জুন) রাতের এই নির্যাতনের ঘটনার শিকার গৃহবধু প্রথমে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে তারপর কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও শেষে রাজশাহী মেডিকেল চিকিৎসা নিয়েছেন।
অভিযোগে জানা গেছে, শ্যামপুর গ্রামের জামাত আলীর ছেলে রায়হানের সঙ্গে গাংনী উপজেলার গাড়াডোব গ্রামের গুলজারুল ইসলাম কাজলের মেয়ে দিপ্তি খাতুনের বিয়ে হয়। তাদের ২০ বছরের দাম্পত্য জীবনে দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তবে প্রথম থেকেই স্ত্রী এবং দুই সন্তানের প্রতি উদাসিন ছিলেন রায়হান।
তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে প্রায়ই স্বামীর নির্যাতনের শিকার হতেন দিপ্তি খাতুন। রবিবার রাতে স্বামীর বাড়িতেই ঘটে নির্মম নির্যাতনের ঘটনাটি। আর্তচিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসে এবং তাদের সহায়তার দিপ্তির পিতার পরিবারের লোকজন তাকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চিকিৎসকরা তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। তবে শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেলে নেওয়া হয়।
এদিকে স্বামীর নির্মম নির্যাতনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন স্ত্রী দিপ্তির পিতার পরিবার। বিচার চেয়ে মেহেরপুর সদর থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।