কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা ও পৌর কমিটির অনুমোদিত তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পর কমিটি থেকে পদত্যাগের হিড়িক। সোমবার (১৪সেপ্টেম্বর) দুপুরে তালিকা প্রকাশের পর থেকে ২৪ ঘন্টায় ৮ জন পদত্যাগ করেছেন।
লিখিত পদত্যাগপত্র তারা কেন্দ্রীয় ও জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দের কাছে প্রেরণ করেছেন। সম্মতি ছাড়া কমিটির তালিকায় নাম রাখার কারণ দেখিয়ে তারা পদত্যাগ করেন বলে নিশ্চিত করেছেন।
লিখিত আবেদনপত্র অনুযায়ী পদত্যাগকারীরা হচ্ছেন- গাংনী উপজেলা কমিটির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মজিরুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও ষোলটাকা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার পাশা, সাবেক দপ্তর সম্পাদক আব্দুল আলিম, সাবেক যুবলীগ নেতা আশিকুর রহমান আকাশ, আলমগীর বিশ্বাস রাহেল, লিখন উদ্দীন ও মাঝারুল ইসলাম।
গাংনী উপজেলায় ঘোষিত ৭১ সদস্য বিশিষ্টি কমিটিতে সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেনের ছোট ছেলে অ্যাডভোকেট হুমায়ন কবিরকে সভাপতি এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের গাংনী উপজেলা কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
প্রকাশিত এ কমিটি থেকে পদত্যাগকারী মজিরুল ইসলাম, আনোয়ার পাশা ও আব্দুল আলিমকে সহ সভাপতি হিসেবে রাখা হয়। আশিকুর রহমান আকাশকে সমাজ কল্যাণ সম্পাদক এবং আলগমীর বিশ্বাস রাহেল, লিখন ও মাঝহারুলকে সদস্য রাখা হয়।
নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান/সাধারণ সম্পাদক বরাবর লিখিত আবেদন এবং এর অনুলিপি মেহেরপুর জেলা আহবায়ক কমিটির আহবায়ক ও যুগ্ম আহবায়ক বরাবরা প্রদান করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন পদত্যাগকারীরা।
পদত্যাগকারীরা তাদের আবেদনে বলেছেন, কমিটিতে নাম রাখার বিষয়ে তাদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করা হয়নি এবং তাদের সম্মতি ছাড়াই কমিটিতে নাম রাখা হয়েছে। এ কারণে তারা পদত্যাগ করছেন। তবে কমিটি ঘোষণার পর নেতৃত্বের বিষয় নিয়ে নেতা কর্মীদের মাঝে তীব্র সমালোচনা চলছে বলে একটি সুত্রে জানা গেছে।
কমিটিতে নাম অন্তর্ভুক্ত এবং পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চেয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী যুবলীগের মেহেরপুর জেলা আহবায়ক ও যুগ্ম আহবায়কের সঙ্গে যোগাযোগের চেস্টা করা হয়। কিন্তু কোন মাধ্যমেই তাদেরকে পাওয়া যায়নি।