জানাগেছে, ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর কলেজের অধ্যক্ষ খোরশেদ আলমের শেষ কার্যদিবস ছিলো। কলেজ ছুটি থাকায় ঐ মাসের ২২ তারিখ গভর্নিং বডির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মার্কেটিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আমিরুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। সে অনুযায়ি আমিরুল ইসলাম দ্বায়িত্বভার গ্রহন করেন। গতকাল সরকারী ছুটি থাকায় আজই প্রথম অধ্যক্ষের কক্ষে প্রবেশ করতে গেলেই তিনি দেখতে পান বাহিরে অন্য একটি তালা দেওয়া আছে।
অভিযুক্ত অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বেদারুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কে বা কারা তালা দিয়েছে তা আমি জানি না। কিন্তু কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়ম হয়েছে।
এ বিষয়ে কম্পিউটার বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম জানান, অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বেদারুল আলমের কাছ থেকে চাবি নিয়ে তালা খুলে দিয়েছেন তিনি।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আমিরুল ইসলাম জানান, আমি নিয়মতান্ত্রিকভাবেই গভর্নিং বডির নির্দেশে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হয়েছি। কলেজের প্রথম দিন প্রবেশ করতে গেলে অধ্যক্ষের রুমে মূল ফটোকে তালা দেন বেদারুল আলম। পরে সহকারী কম্পিউটার বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম তালা খুলে দেন।
গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।