রাজধানীর দিয়াবাড়ি মাইলস্টোনে বিমান দুর্ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছেন মেহেরপুরের গাংনীর মেয়ে রজনী।
বিমান বিধ্বংস হওয়ার পর শিশু কন্যাকে বাঁচাতে শ্রেণী কক্ষের দিকে ছুটে গিয়েছিলেন তিনি। তার আগেই তার কন্যা শিশু স্কুলের বাইরে বের হয়ে যায়।
এতে শিশুটি রক্ষা পেলেও অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঢাকা সিএমএইচ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটি ইউনিটে মারা যান রজনী। রজনী ভেবেছিলেন তার বাচ্চা শ্রেণি কক্ষেই রয়েছে।
নিহত রজনী মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মটমুড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বাওট গ্রামের আব্দুল হামিদের মেয়ে।
রজনীর স্বামী জহিরুল ইসলাম ব্যবসায়িক সুত্রে ৩ সন্তান নিয়ে ঢাকায় বসবাস করতেন। স্বামী জহিরুলের বাড়ি কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার চর সাদিপুর গ্রামে। সেখানেই তার মরদেহ দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্র জানা গেছে।
এই ঘটনায় রজনীর পিতার পরিবার ও স্বজনদের মাঝেও বইছে শোকের ছায়া।