রবিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন ক্লিনিক মালিক ডাঃ মিজানুর রহমান ও তার ছেলে ডাঃ অভি।
অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই রোগীর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা।
জানা গেছে, রবিবার দুপুরে গাংনী উপজেলার গাড়াবাড়িয়া গ্রামের মজিবার রহমানের স্ত্রী নাসিমা বেগম জরায়ু নাড়ীর অপারেশনের জন্য ওই ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। দিনভর তাকে পর্যবেক্ষণে রেখে রাত সাড়ে আটটার দিকে তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার কিছুক্ষণ রোগীর মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর খবর পেরে রোগীর স্বজনরা অপারেশন থিয়েটারে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ মিজানুর রহমান ও তার ছেলে ডাঃ অভিকে ব্যাপক মারধর করে। পরে তারা অপারেশন থিয়েটারের আসবাবপত্র ও দামি চিকিৎসা সরঞ্জাম ভাঙচুর করে।
আহত চিকিৎসক অভিকে দ্রুত উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রোগীর ছেলে নাজমুল বলেন, আমার মাকে অপারেশন থিয়েটারে ইনজেকশন দেওয়ার পরপরই মারা গেছে। ইনজেকশন দেওয়ার পরেই তিনি চিৎকার করেছেন। কিন্তু ডাক্তার অন্যকোন ব্যবস্থা নেয়নি। তিনি আরও বলেন ডাঃ মিজান নাক,কান,গলার চিকিৎসক সে কিভাবে জরায়ুর অপারেশন করে।
এবিষয়ে ডাঃ মিজানুর রহমান বলেন, অপারেশন টেবিলে নেওয়ার পর হার্ট এ্যার্টাক করে রোগীর কনভারশন শুরু হয়। আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। রোগীর চিকিৎসায় কোনো অবহেলা ছিল না।
মেহেরপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)
মেহেদি হাসান দিপু বলেন, ঘটনার পরপরই সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরো বলেন, হামলা ও ভাঙচুরের বিষয়ে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ যদি লিখিত অভিযোগ দেয় তবে সে বিষয়েও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।