• বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মেহেরপুরে মেয়েকে হত্যার দায়ে পিতার যাবজ্জীবন কারাদন্ড গ্যাস প্লান্ট বিস্ফোরণে নিহত গাংনীর রেমিটেন্সযোদ্ধা রাজুর বাড়িতে শোকের মাতম মেহেরপুরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা গাংনীর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৯৭ বোতল ফেয়াডিল সিরাপ উদ্ধার পাট বীজ উৎপাদনের ভরা মৌসুমে বন্ধ ঝিনাইদহ পাট উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয় গুলশান সেন্ট্রাল পার্কের ব্যবস্থাপনা চুক্তি কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না: হাইকোর্টের রুল গাংনী বাস স্ট্যান্ড এলাকায় দুটি বিস্ফোরণ, অবিষ্ফোরিত ১ টি টাইম বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার শৈলকুপায় আধিপত্য ও জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত- ১০ দৌলতপুরে কবর থেকে পীর শামীমের লাশ তুলে দরবারে নিয়ে গেল ভক্তরা কেপটাউনে ১৬তম বিশ্ব নিরাপত্তা সম্মেলনে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

মেহেরপুরে মেয়েকে হত্যার দায়ে পিতার যাবজ্জীবন কারাদন্ড

বিবর্তন প্রতিবেদক:
Update : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
মেহেরপুরে মেয়েকে হত্যার দায়ে পিতার যাবজ্জীবন কারাদন্ড
মেহেরপুরে মেয়েকে হত্যার দায়ে পিতার যাবজ্জীবন কারাদন্ড

নিজ কন্যা ববিতা খাতুনকে হত্যার দায়ে পিতা বজলুর রহমানকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মেহেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মো. গোলাম কবীর এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত বজলুর রহমান সদর উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের আওলাদ হোসেনের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৫ মার্চ রাতে কুলবাড়িয়া এলাকায় ভৈরব নদ থেকে পচা দুর্গন্ধ বের হওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ প্লাস্টিকের বস্তাবন্দি অবস্থায় এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহটি মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

তদন্তে মরদেহটি কুলবাড়িয়া গ্রামের বজলুর রহমানের মেয়ে ববিতার বলে শনাক্ত হয়। পরে পুলিশ বজলুর রহমানকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি মেয়েকে হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলায় ২১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর সাইদুর রাজ্জাক এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার একরামুল হক হীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category