• মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৯ অপরাহ্ন

মুজিবনগর দিবসে সরকারী কর্মসূচী না থাকায় ক্ষোভ নাগরিক সমাজের

বিবর্তন প্রতিবেদক:
Update : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
মুজিবনগর দিবসে সরকারী কর্মসূচী না থাকায় ক্ষোভ নাগরিক সমাজের
মুজিবনগর দিবসে সরকারী কর্মসূচী না থাকায় ক্ষোভ নাগরিক সমাজের

মুজিবনগর দিবসে রাষ্ট্রীয় কোন কর্মসূচী না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নাগরিক উদ্যোগ নাগরিক উদ্যোগ ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেল ৫ টায় মুজিবনগর স্মুতিসৌধে পুষ্পার্ঘের মাধ্যমে জাতীর শ্রেষ্ট সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তারা।

এ নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি দলের সদস্য মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও লেখক আবু সাইদ খান বলেন, মুক্তিযেদ্ধার চেতনার বক্তব্য রেখে যারা ক্ষমতায় এসসেছেন তারা মুক্তিযুদ্ধকে সম্মান জানাবেন না, একাত্তরের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন না এটি মেনে নেওয়া যায় না। সরকারের বোধদয় হওয়া উচিৎ এবং এ ব্যাপারে আগামীতে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।

তিনি আরো বলেন, আমাদের দাবি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষিত হোক। মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধস্মৃতি কেন্দ্রে যে ভাস্কর্যগুলো ধ্বংশ হয়েছে সেগুলো পুঃনরায় প্রতিস্থাপিত করা হোক। অর এই ভাস্কর্য ভাঙ্গার সাথে যারা জড়িত তাদের শাস্তির আওতায় আনা হোক। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি জড়িত সকল দিবসগুলো যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের দাবি জানান তিনি।

এটি অস্থায়ী সরকার না সাংবিধানিক প্রথম সরকার এমন প্রশ্নের জবাবে, এ.এল.আরডি’র নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা বলেছেন, অস্থায়ী সরকার এ কথাটি আমাদের নয়। এটি তখনকার মিডিয়ায় সংবাদের। তখনকার পত্র পত্রিকায় অস্থায়ী সরকার হিসেবে বলা হয়েছে। পরে এই সরকারকে অস্থায়ী সরকার বলা হয়েছে। অস্থায়ী সরকার শুধুমাত্র মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠন করা হয়েছিলো। এটির নেতৃত্ব ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহামান। তিনি অনুপস্থিত ছিলেন। তবে এখানে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষার্থে যে ভাস্কর্যগুলো ভাঙ্গা হয়েছে তার তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি। ঢাকায় গিয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি সরকারকে জানানো হবে।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, সিপিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাসদের সহসাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতনসহ সংগঠনের সদস্যরা।

তবে আজ শুক্রবার সকাল ৯ টার সময় মুজিবনগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কমান্ডের পক্ষ থেকে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে জাতীর শ্রেষ্ট সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করা হয়।

সে সময় মুক্তিযোদ্ধা হাজী আহসান আলী খাঁন, মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন আব্দুল মালেক, মুক্তিযোদ্দা সন্তান সংসদ কমান্ডের মুজিবনগর উপজেলা সভাপতি মোখলেছুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলাম সহ অন্যান্য সদস্যরা।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category