বিয়ের দাবিতে কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর কার্যালয়ে সামনে অবস্থান নিয়েছেন যমুনা (২৬) নামে স্বামী পরিত্যক্তা এক নারী। তিনি জেলার মিরপুর উপজেলার সুলতানপুর এলাকার সন্তষ কুমারের মেয়ে।
তার দাবি উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর স্ত্রীর ব্যক্তিগত গাড়িচালক ইমরানের সঙ্গে তার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে। এ ঘটনা জানাজানির পর সৌদি প্রবাসী স্বামীর সঙ্গে তার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। পরকিয়া পেমিক ইমরান এখন বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে । সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) সকাল থেকে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর কার্যালয়ে এ অনশন শুরু করেছেন তিনি।
ইমরানের বাড়ি পিরোজপুর জেলায়। তার স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। এ ঘটনার পর পালিয়ে গেছেন অভিযুক্ত ইমরান। এদিকে বিয়ের দাবি না মানলে এর থেকে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ওই নারী।
জানা গেছে, দুই বছর আগে একটি নাচের অনুষ্ঠান থেকে পরিচয় হয় ইমরানের সঙ্গে। এরপর থেকে তাদের দুজনের মুঠোফোনে কথা হয়, গড়ে ওঠে গভীর প্রেমের সম্পর্ক। বিয়ের আশ্বাস দিলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে যান তারা। এ ঘটনা জানাজানি হলে ৮ মাস আগে ওই নারীর সৌদি প্রবাসী স্বামী তাকে তালাক দেন।
এরপর বিয়ের জন্য ইমরানকে চাপ দিলে নানা তালবাহানা শুরু করে। এক পর্যায়ে বন্ধ করে দেয় মুঠোফোনসহ সব ধরনের যোগাযোগ মাধ্যম। ওই নারী ইমরানের খোঁজে ছুটে আসেন তার কর্মস্থলে। নিরুপায় হয়ে বিয়ের দাবিতে কুষ্টিয়া সড়ক উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর কার্যালয়ে সামনে অবস্থান নেন ওই নারী।
এদিকে, ওই প্রেমিকা আসার পর থেকে পলাতক রয়েছে প্রেমিক ইমরান। বিয়ে না করলে নিজেকে শেষ করে দেওয়ার হুমকি দেন ওই নারী। এ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, ‘সম্পর্কের পরে জানতে পারি ইমরানের স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। তাতেও আমার কোনো সমস্যা নেই। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সে আমার সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক করেছে। এখন বিয়ে না করলে আমি কোথায় যাব।
অভিযুক্ত ইমরানের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে সেটি বন্ধ থাকায় এ বিষয় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এদিকে, কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী লিটন আহমেদ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।