• সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কাপড়ে মল ছিটিয়ে মেহেরপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধার ৪৮ হাজার টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র তামাক নিয়ন্ত্রণের বড় বাঁধা কোম্পানির হস্তক্ষেপ আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা: সীমানা খুঁটি ভাংচুরের অভিযোগ গাংনীর কাজীপুর সীমান্তে ৪ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় মালামাল উদ্ধার গাংনীতে মাছ ব্যবসায়ীকে গাছে বেঁধে দুটি ভ্যান ও টাকা ছিনতাই পিকিং স্টার’ হাঁসে স্বাবলম্বী মেহেরপুরের বাঁধন-মাসে আয় ৪ লাখ টাকা দৌলতপুরে মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত গাংনীতে বেতের আঘাতে শিক্ষার্থীর পা ভাঙ্গার অভিযোগ হুজুরের বিরুদ্ধে মেহেরপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ হিতৈষী দিবস পালিত গাংনীতে ভুট্টার বীজ নিয়ে রিটেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত

পাটের ভরা মৌসুমে দীর্ঘ দিন ধরে তালাবদ্ধ ঝিনাইদহ পাট অধিদপ্তর

বিবর্তন প্রতিবেদক:
Update : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬
পাটের ভরা মৌসুমে দীর্ঘ দিন ধরে তালাবদ্ধ ঝিনাইদহ পাট অধিদপ্তর
পাটের ভরা মৌসুমে দীর্ঘ দিন ধরে তালাবদ্ধ ঝিনাইদহ পাট অধিদপ্তর

পাটের ভরা মৌসুমে ঝিনাইদহ পাট অধিদপ্তরের দুটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যালয় দীর্ঘদিন ধরে তালাবদ্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন পাট ব্যবসায়ীরা। লাইসেন্স নবায়ন কিংবা নতুন লাইসেন্সের প্রয়োজন নিয়ে অফিসে এলেও কর্মকর্তাদের না পেয়ে বারবার ফিরে যেতে হচ্ছে তাদের।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে ঝিনাইদহে ২০ হাজার ২২৬ হেক্টর জমিতে পাটের চাষ হয়েছে। এ সময় চাষিরা পাট কাঁটা ও জাগ দেওয়ার কাজে ব্যস্ত, আর ব্যবসায়ীরা ব্যস্ত লাইসেন্সসংক্রান্ত কার্যক্রমে। কিন্তু সদর উপজেলার নিঝুম টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত পাট অধিদপ্তরের মুখ্য পরিদর্শকের কার্যালয় ও পাট উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয় অধিকাংশ সময়ই তালাবদ্ধ থাকায় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দুটি অফিসই তালাবদ্ধ। দরজায় জরুরি প্রয়োজন ও লাইসেন্স-সংক্রান্ত যোগাযোগের জন্য দুটি মুঠোফোন নম্বর টাঙানো রয়েছে। সেখানে আসা দুই ব্যবসায়ী জানান, একজন পুরোনো লাইসেন্স নবায়ন এবং অন্যজন নতুন লাইসেন্স করতে এসেছেন। ফোন করলে একটি নম্বরে কল গেলেও কেউ রিসিভ করেননি। অন্য নম্বর থেকে তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে যশোরে যেতে অথবা বিকাশে ফি পাঠিয়ে কুরিয়ারের মাধ্যমে কাগজ পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কয়েক দিন ধরেই তারা অফিসে এসে ফিরে যাচ্ছেন বলে জানান।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অফিস দুটি প্রায়ই বন্ধ থাকে। দুই কর্মকর্তার মধ্যে একজন সম্প্রতি বদলির আদেশ পাওয়ার পর থেকে অফিসে আসছেন না। অন্যজন অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকলেও নিয়মিত উপস্থিত হন না। ফলে লাইসেন্সসহ বিভিন্ন সেবা নিতে এসে ব্যবসায়ীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাশের এক দোকানি বলেন, পাট অফিস প্রায় সব সময়ই বন্ধ থাকে। লোকজন এসে কাউকে না পেয়ে ফিরে যায়।

ঝিনাইদহের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা মুখ্য পরিদর্শক মো. তারেক রহমান বাপ্পী বলেন, তিনি যশোরে কর্মরত এবং অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ঝিনাইদহ দেখাশোনা করেন। প্রয়োজন অনুযায়ী মাঝে মাঝে ঝিনাইদহে আসেন। তবে সপ্তাহের কোন দিন তিনি সেখানে অফিস করেন, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি।

বিষয়ে সদ্য বদলির আদেশ পাওয়া পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান খানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

পাট অধিদপ্তর যশোরের সহকারী পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান বলেন, জনবল সংকটের বিষয়টি পাট অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পাট অধিদপ্তর আশ্বাস প্রদান করেছেন। তিনি আরও জানান, যশোরের একজন মুখ্য পরিদর্শক অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ঝিনাইদহ ও মাগুরা জেলার কাজ করছেন।সপ্তাহের কোন দিন তিনি ঝিনাইদহে অফিস করেন, তা তার জানা নেই। তবে মুখ্য পরিদর্শক তারেক রহমান বাপ্পী যশোর এবং ঝিনাইদহ জেলার অধিকাংশ কাজ যশোরে বসেই করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category