সভার মধ্যমনি শিল্পী রানী রায় সেথা।
আনোয়ার হোসেন ইউএনও মহোদয়,
সভাপতির আসনে আসিন হেথায়।
সর্ব পেশাদার যাহা জানালেন সভায়,
খাতা ভারী হাজার অপ্রাপ্তির ধারায়।
অভিযোগ অপ্রাপ্তি বিশৃঙ্খলা অনিয়ম,
গাংনী থানা আজ ভরে হয়েছে জখম।
কতো নেতা কতো অফিসার আসনে,
উন্নয়নের ধারা সূচিত হইলো ভাষনে।
কি করবে প্রশাসন জনগন ভালো না,
আইন কানুন দায়িত্ব আমরা মানি না।
যার যার দায়িত্ব পালন করলেই যথা,
উন্নয়ন হবে আসবেই নিরাপত্তা তথা।
শুনেছি কতো সভা বছরে বারো বার,
সভা শেষে বাড়ি ফিরি শুনি কে কার!
বারো মাসে বারোজন বারোটা কামনা,
মেহেরপুর জেলায় নেন উন্নয়ন ভাবনা।
শুরু হয় তোড়জোড়ে বদলির কষাঘাত,
উন্নয়নের মাথায় সে চিরায়ত বেত্রাঘাত।
বামহাত ছাড়া কর্মতে ডানহাত অপারগ,
জননেতা বিনা প্রশাসনে ব্যর্থ মনযোগ।
প্রশাসন ও জনগণে, মিতালির সরকার
মেহেরপুরের উন্নয়নে একসাথে দরকার।