• মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
গাংনীতে পুকুরে বিষ প্রয়োগে দুই লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন কাজিপুর ডিগ্রি কলেজে নকল ঠেকাতে ব্যর্থতার দায়ে দুই শিক্ষককে আজীবন অব্যাহতি বর্ণাঢ্য আয়োজনে গাংনীতে নজরুল বর্ষ উদ্বোধন অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের প্রতিবাদে মেহেরপুরে তহবাজার বন্ধ, ভোগান্তিতে ক্রেতারা মেহেরপুরের গাংনীতে পরীক্ষা কেন্দ্রে সাংবাদিকদের মারধরের মামলায় দুই শিক্ষকসহ তিনজন গ্রেফতার মেহেরপুরে পরীক্ষা কেন্দ্রে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত পরীক্ষার্থী গ্রেফতার আমরা এমন বাংলাদেশে ফিরে যেতে চাই, যেখানে সামাজিক নিরাপত্তা থাকবে : আইনমন্ত্রী পানির ট্যাংক পরিষ্কার করতে গিয়ে ছাদ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড গোলাম মোস্তফার স্মরণসভা অনুষ্ঠিত বই খুলে নকল: ভিডিও ধারণ করায় দুই গণমাধ্যমকর্মীকে মারধরের অভিযোগ

মেহেরপুরে শতাধিক গ্রাহকের টাকা নিয়ে লাপাত্তা এনজিও

বিবর্তন প্রতিবেদক:
Update : রবিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৪
মেহেরপুরে শতাধিক গ্রাহকের টাকা নিয়ে লাপাত্তা এনজিও
মেহেরপুরে শতাধিক গ্রাহকের টাকা নিয়ে লাপাত্তা এনজিও

মেহেরপুরে ‘সিডার’ নামে এনজিওর প্রতারণার ফাঁদে পড়েছেন শতাধিক হতদরিদ্র ব্যক্তি। ঋণ দেওয়ার নামে তাদের কাছ থেকে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে এনজিওটি লাপাত্তা হয়েছে। রবিবার (৬ অক্টোবর) ঋণ প্রদানের তারিখে ভুক্তভোগীরা এসে এনজিও অফিস (ভাড়া করা বাড়ি) তালাবদ্ধ দেখতে পান।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এনজিওতে বিনিয়োগের জন্য অনেককেই বাড়ির মালিক আব্দুল মতিন তাদের উদ্ধুদ্ধ করেছেন। ভুক্তভোগী লালন হোসেন, তরিকুল ইসলাম, আসমা, খুশি খাতুনসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, পৌরসভার দিঘিরপাড়া এলাকায় আব্দুল মতিনের বাড়িতে ‘সিডার’ নামে এনজিও কার্যক্রম শুরু করে।

সদর উপজেলার শ‍্যামপুর, শিশিরপাড়া, মদনা, আলমপুর, মদনাডাঙ্গাসহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে এনজিওর ম্যানাজার আশরাফুল সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের আশ্বাস দিয়ে তাদের অফিসে আসতে বলেন। তিনি বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রাহক সংগ্রহ করে ঋণ দেওয়ার নামে ১০ শতাংশ করে জামানত সংগ্রহ করে।

এই আশ্বাসের ভিত্তিতে সাড়ে ৯ হাজার টাকায় দেড় লক্ষ, ১২ হাজার টাকায় দুই লক্ষ, ১৮ হাজার টাকায় ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাওয়ার আশায় তারা এই এনজিওতে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা জমা করেন। শনিবার আরও মানুষের টাকা জমা দেওয়ার জন‍্য তাদের কাছে ফোন করলে তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ফোন বন্ধের কারণে অনেকের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে রাতেই ভুক্তভোগীরা এসে এনজিওর ভাড়া নেওয়া দুটি রুম তালাবদ্ধ দেখতে পান।

রবিবার সকালে লোকজন ওই বাড়ির সামনে জড়ো হতে শুরু করলে বাড়ির মালিক আব্দুল মতিন কৌশলে এনজিওর সাইনবোর্ডটি সরিয়ে ফেলেন। বাড়ির মালিক এনজিওর ব‍্যক্তিদের সাথে জড়িত আছেন বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

বিষয়টি জানতে বাড়ির মালিক আব্দুল মতিন বলেন, আমার ভাই আজমাইনের মাধ্যমে তারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করে। তাদের সাথে দুটি রুম দশ হাজার টাকা ভাড়ার কথা হয়। আগামী ১০ তারিখে চুক্তি হওয়ার কথা এবং আনুষ্ঠিকভাবে কাজ শুরু করার কথা থাকলেও শনিবার থেকে এনজিও ম্যানেজারের ফোন বন্ধ পান। পরে বাড়িতে এসে দেখি ঘর তালাবদ্ধ। তাদের যোগাযোগের চেষ্টা করলে সব ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

টাকা ফেরত পেতে ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি চলছিলো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category