• শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
গাংনীতে ছাগল চুরির অভিযোগে দুই জনকে গণধোলাই শেষে পুলিশে দিল জনতা মুজিবনগর সীমান্তে বিএসএফ-বিজিবির সহযোগীতায় মৃত মায়ের মুখ দেখলো মেয়ে গাংনীতে পূজা মন্ডপের  নিরাপত্তার দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার সদস্যদের ব্রিফিং অনুষ্ঠিত মেহেরপুরে পিআইডি’র সেমিনারে সাংবাদিক বাছাই নিয়ে বিতর্ক গাংনীতে ফুটবল খেলায় পক্ষপাতিত্ব ও মারধরের অভিযোগে গ্রামবাসীর মানববন্ধন রাজধানীর আদাবরে স্বল্প পরিসরে সবুজায়ন কর্মসূচি মেহেরপুরে ট্যুরিজম লুডু প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত পরিবেশ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমাতে সাইকেলের পৃথক লেনের তৈরির আহবান মুজিবনগরে আমবাগান থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার গাংনীতে বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত

রাজধানীর আদাবরে স্বল্প পরিসরে সবুজায়ন কর্মসূচি

বিবর্তন ডেস্ক:
Update : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
রাজধানীর আদাবরে স্বল্প পরিসরে সবুজায়ন কর্মসূচি
রাজধানীর আদাবরে স্বল্প পরিসরে সবুজায়ন কর্মসূচি

ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, অপরিকল্পিত নগরায়ন, যানবাহনের চাপ এবং উন্মুক্ত স্থান ও সবুজ এলাকার স্বল্পতার কারণে ঢাকা শহর দিন দিন বসবাসের জন্য আরও কঠিন হয়ে উঠছে। নগরের প্রতিটি এলাকায় বড় আকারের পার্ক বা উদ্যান তৈরি করা সবসময় সম্ভব নয়। তবে সীমিত জায়গার যথাযথ ব্যবহার করে ছোট ছোট পরিসরে সবুজায়ন বা মাইক্রো-গ্রিনিং উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে নগর পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে আদাবর কমিউনিটির ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহনে হেলথব্রিজ ফাউন্ডেশন অব কানাডা, ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডব্লিবিবি) ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগে স্বল্প পরিসরে সবুজায়নের লক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এলাকাকে আরও সুন্দর, স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মিশন পল্লী স্কুল এন্ড টেকনিক্যাল কলেজের ব্রাঞ্চ ইনচার্জ মো. আব্দুল কাদির, মিশন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ এর ব্রাঞ্চ ইনচার্জ কাওসার আহমেদ, ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী, প্রকল্প কর্মকর্তা প্রমা সাহা, ইমরান মিয়া, ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের এলাকাবাসীসহ মিশন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, স্বল্প পরিসরে সবুজায়নের আওতায় রাস্তার পাশে অব্যবহৃত ছোট জায়গা, ফুটপাতের প্রান্ত, ভবনের সামনের খালি অংশ, আবাসিক এলাকার উন্মুক্ত কর্ণার, স্কুল ও প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণ কিংবা অন্যান্য অব্যবহৃত স্থানে স্থানীয় ও উপযোগী গাছপালা ও লতাগুল্ম লাগানো যেতে পারে। এসব ছোট সবুজ স্থান একদিকে যেমন নগরের সৌন্দর্য বাড়াবে, অন্যদিকে তাপমাত্রা কমাতে, ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণে এবং পথচারীদের জন্য হাটাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। স্বল্প পরিসরে সবুজায়ন উদ্যোগে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ। একটি ছোট সবুজ স্থান তৈরি করার পাশাপাশি এর পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হলে উদ্যোগটি দীর্ঘস্থায়ী হবে। বিশেষ করে শিশুদের জন্য নিরাপদ ও সবুজ পরিবেশ তৈরিতে স্কুলের আশপাশ এবং আবাসিক এলাকার ছোট জায়গাগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া যেতে পারে। সমন্বিত উদ্যোগ ও জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে আদাবর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডকে একটি সবুজ, স্বাস্থ্যকর, পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য কমিউনিটি হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

পরিবেশ রক্ষায় তরুণ প্রজন্ম ও স্থানীয় জনগণের ঐক্যবদ্ধ ও সক্রিয় উদ্যোগ আদাবর এলাকার টেকসই উন্নয়ন ও বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করতে একটি চমৎকার ও দৃষ্টান্তমূলক ভূমিকা রাখবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category