সরকারের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল চুয়াডাঙ্গার বহুমুখী মানব কল্যান সংস্থার কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন। সোমবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে শহরের একাডেমি মোড়স্থ সারা ভবনের কার্যালয় পরিদর্শন করেন।
বহুমুখী মানব কল্যাণ সংস্থা দুস্থ, হতদরিদ্র,বিধবা ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে দক্ষ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বহুমুখী মানব কল্যাণ সংস্থা কাজ করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে কম্পিউটার ও ড্রাইভিং কোর্সে হাজার হাজার শিক্ষার্থী প্রশিক্ষন নিয়েছেন। বর্তমানে তা অব্যাহত রয়েছে। এ ধারা অব্যাহত রাখার স্বার্থে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল বহুমুখী মানব কল্যান সংস্থা কার্যালয় পরিদর্শন করেন।
প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন অর্থ মন্ত্রালয়ের অতিরিক্ত সচিব, নির্বাহী প্রকল্প পরিচালক (SELP) ফাতেমা রহিম ভীনা। এ সময় তিনি উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশের এই বৃহত্তর জনগোষ্টিকে জনসম্পদে রুপান্তর করতে হবে। জনসম্পদে পরিনত করতে হলে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। কাজের মধ্যদিয়ে মানুষ বেঁচে থাকে। আবার কাজের মাধ্যমে মানুষকে দক্ষ করে। চুয়াডাঙ্গার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে কিভাবে এগিয়ে নেওয়া যায় সেই লক্ষ্য এগিয়ে আসতে হবে। ড্রাইভিং প্রশিক্ষনার্থীদের আরো বলেন, দক্ষ ড্রাইভিং পারে সড়ক দূর্ঘটনা থেকে জাতিকে রক্ষা করতে। একটি দূর্ঘটনা পরিবারের জন্য যেমন ক্ষতি করে, তেমনি অর্থনীতি ভাবে দেশকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রালয়ের যুগ্মসচিব, উপ নির্বাহী পরিচালক (SELP) ডা. মোঃ সানোয়ার জাহান ভূইয়া, অর্থ মন্ত্রালয়ের যুগ্মসচিব, উপ নির্বাহী, নির্বাহী প্রকল্প পরিচালক (SELP) মাহফুজুল আলম খান, উপসচিব (প্রাইভেট-৫) SELP প্রকল্প ভুঞা মোহাম্মদ রেজাউল রহমান সিদ্দিক, সহকারী নির্বাহী প্রকল্প পরিচালক (পাবলিক -১) আসমা আরা বেগম, TEVT (স্পেশালিষ্ট, SELP প্রকল্প) নুরুল ইসলাম।
বহুমুখী মানব কল্যান সংস্থার নির্বাহী চেয়ারম্যান, সিনিয়র সাংবাদিক আহমেদ পিপুল, সাবেক অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রাজীব হাসান কচি, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফ, সাংবাদিক রফিক রহমান প্রমুখ।
অতিথিদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয়কালে বহুমুখী মানব কল্যান সংস্থার স্বপ্নদ্রষ্টা, নির্বাহী চেয়ারম্যান, সিনিয়র সাংবাদিক আহমেদ পিপুল প্রতিনিধি দলকে তার সংস্থার কার্যক্রম সম্পর্কে ধারনা কালে বলেন, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ ও মাগুড়া জেলায় এ পর্যন্ত কম্পিউটারে ৩ হাজার এবং ড্রাইভিং-এ ২ হাজার ২ শত ৫০ জন শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ শেষ করেছে। একইসাথে কম্পিউটারে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধিনের পরীক্ষায় পাশ করেছেন ৮৮%শিক্ষার্থী।