জমি জমা সংক্রান্ত বিরেধের জের ধরে মেহেরপুরের গাংনীর কসবা গ্রামের দুটি পরিবারের মধ্যে চলছে চরম উত্তেজনা। যে কোন সময় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জানা গেছে, গ্রামের আবুল ফজলের পাঁচ ছেলে জনৈক জমির উদ্দীনের কাছ থেকে ৫৫ শতক জমির মধ্যে ৫০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন ১৯৯৩ সালে। বাকী ৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন প্রতিবেশি আব্দুল খালেকের স্ত্রী আনজিরা। জমি কেনার পর আনজিরার ছেলেরা ঘর বাড়ি নির্মান করে বসবাস করছিলেন।
১৯৯৫ সালের দিকে জমির উদ্দীনের ওই জমির পাশাপাশি আর একটি জমির সোয়া তিন শতক জমি ক্রয় করেন আনজিরার স্বামী আব্দুল খালেক। পাশাপাশি জমি হওয়ায় সুচতুর আব্দুল খালেকের ছেলে আনছারুল পুরাতন দাগের বাড়ি ভেঙ্গে নতুন ক্রয় করা জমিতে পাকা ঘর তৈরী করেন। এবং পুরাতন দাগের কিছু অংশ ভোগ দখল করেন। যেখানে খালেকের ছেলেদের বাড়ি ছিল সেখানে দখল না নিয়ে আবুল ফজলের সন্তানদের দখলকৃত জায়গা জবর দখল নেয়।
ফজলের ছেলে বজলুর রহমান জানান, জমি যখন বায়না নামা করা হয় তখন ৫৫ শতাংশই হয়েছিল। কিন্তু আব্দুল খালেক হাতে পায়ে ধরে ৫ শতাংশ জমি কিনে নেয়। তখন স্থানীয় লোকজন মাপজোক করে বাড়ি তৈরী করতে দেন।
গ্রামের আব্দুস সাত্তার ও ইবাদত মন্ডল জানান, জমি কেনার পর খালেক যখন বাড়ি তৈরী করতে যান তখন তারাই জমির মাপজোক করেন। পরে যখন পাশের জমি কেনেন তখন ওখানে বাড়ি করে কৌশলে ফজলের ছেলেদের জমি দখল করতে থাকে। এতে প্রকৃত জমির মালিকদের চলাচলসহ নানা কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। এ ছাড়াও জবর দখল করা জমি ছেড়ে দিতে বলায় খালেকের ছেলে হুমকী দেয়। যে কোন মুহুর্তে সংঘর্ষের সৃষ্টি হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে বলেও তারা মন্তব্য করেন।