• সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কাপড়ে মল ছিটিয়ে মেহেরপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধার ৪৮ হাজার টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র তামাক নিয়ন্ত্রণের বড় বাঁধা কোম্পানির হস্তক্ষেপ আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা: সীমানা খুঁটি ভাংচুরের অভিযোগ গাংনীর কাজীপুর সীমান্তে ৪ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় মালামাল উদ্ধার গাংনীতে মাছ ব্যবসায়ীকে গাছে বেঁধে দুটি ভ্যান ও টাকা ছিনতাই পিকিং স্টার’ হাঁসে স্বাবলম্বী মেহেরপুরের বাঁধন-মাসে আয় ৪ লাখ টাকা দৌলতপুরে মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত গাংনীতে বেতের আঘাতে শিক্ষার্থীর পা ভাঙ্গার অভিযোগ হুজুরের বিরুদ্ধে মেহেরপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ হিতৈষী দিবস পালিত গাংনীতে ভুট্টার বীজ নিয়ে রিটেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মেহেরপুরে পিতা হত্যার দায়ে পুত্রের যাবজ্জীবন কারদন্ড

বিবর্তন প্রতিবেদক:
Update : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
মেহেরপুরে পিতা হত্যার দায়ে পুত্রের যাবজ্জীবন কারদন্ড
মেহেরপুরে পিতা হত্যার দায়ে পুত্রের যাবজ্জীবন কারদন্ড

মেহেরপুরে নিজ পিতাকে গলা কেটে হত্যার দায়ে ছেলে মো. সিফাত ফকিরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে মেহেরপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক গোলাম কবির এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৩ এপ্রিল রাতে গাংনী উপজেলার নিজ বাড়িতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত মনির উদ্দীন রাতের খাবার শেষে বাড়ির বারান্দায় ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে তার চিৎকার শুনে স্ত্রী রোকেয়া বেগম ও পরিবারের অন্য সদস্যরা বাইরে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে গাংনী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই এস এম বুলবুল আহাম্মেদ তদন্তকালে নিহতের ছেলে সিফাত ফকিরের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পান। পরে তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন।

২০১৯ সালের ৩০ জুন আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। বিচারকালে রাষ্ট্রপক্ষ ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য উপস্থাপন করে। শুনানিকালে আসামি নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও সাক্ষ্য-প্রমাণ ও উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. নজরুল ইসলাম এবং আসামিপক্ষে ছিলেন এ কে এম শফিকুল আলম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category