• শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
অবৈধভাবে তেল নামানোর সময় গাংনীতে সাড়ে ৪ হাজার লিটার ডিজেলসহ ট্রাংকলরি জব্দ ভাল লেখাপড়ার পাশাপাশি ভাল মানুষ ও হতে হবে: উপাচার্য ড. শেখ বখতিয়ার উদ্দিন গাংনীতে দোকানের টিনের চাল কেটে তিন লাখ টাকার মালামাল চুরি গাংনীর পৃথক চারটি মাঠে আগ্নীকান্ডে পুড়েছে শতাধিক বিঘা জমির ফসল ও হারভেস্টর মেশিন অবৈধভাবে জ্বালানী তেল মজুদ রাখায় দৌলতপুরে ব্যবসায়ীর ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আইন প্রণয়নে ই-সিগারেট নিষিদ্ধের দাবীতে অবস্থান কর্মসূচি বেশি টাকা দিলে মিলছে ডিজেল- পুলিশের উপস্থিতে বিক্রি ২৫০ লিটার দৌলতপুরে হামে আক্রান্ত ১২ শিশু- ঝুকিতে ২৩০ মেহেরপুরে অবৈধভাবে মজুতকৃত ৬ হাজার ১৭৫ লিটার ডিজেল জব্দ স্বাধীনতার প্রকৃত ইতিহাস ও তাৎপর্য ছড়িয়ে দিতে মেহেরপুরে মুক্তিযুদ্ধ অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত

বেশি টাকা দিলে মিলছে ডিজেল- পুলিশের উপস্থিতে বিক্রি ২৫০ লিটার

বিবর্তন প্রতিবেদক:
Update : বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
বেশি টাকা দিলে মিলছে ডিজেল- পুলিশের উপস্থিতে বিক্রি ২৫০ লিটার
বেশি টাকা দিলে মিলছে ডিজেল- পুলিশের উপস্থিতে বিক্রি ২৫০ লিটার

ঈদের আগেই তেলের অবৈধ মজুদ ঠেকাতে খোলা বাজারে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ করা হয়েছে। তবে প্রশাসনের তদারকির অভাবে এ সিদ্ধান্তের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে উপজেলার হেমায়েতপুর বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে ডিজেল। কৃষকরা ফিলিং স্টেশন ঘুরে প্রয়োজনীয় তেল পাচ্ছেন না। কিন্তু মেহেরপুরের গাংনীর হেমায়েতপুর বাজারে বাড়তি টাকা দিলেই মিলছে প্রচুর পরিমাণ তেল। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যায় স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ রেজাউল করিমের উস্থিতিতে ২৫০ লিটার তেল বিক্রি হলেও কোন আইনী ব্যবস্থা না নেওয়া জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, হেমায়েতপুর বাজারের ভাই ভাই হার্ডওয়ার নামের একটি দোকানে ডিজেল, পেট্রোল ও মবিল বিক্রি হয়ে থাকে। তিনি বিপিসির কোন এজেন্ট নন। কিন্তু তার দোকানে রয়েছে ব্যারেল ব্যারেল ডিজেল। প্রকাশ্যেই প্রতি লিটার ডিজেল ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দোকানের কয়েক’শ গজ দূরে হেমায়েতপুর পুলিশ ক্যাম্প থাকলেও অজ্ঞাত কারণে নিরব ভুমিকা পালন করছেন পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ।

অভিযোগ রয়েছে, দোকানের মালিক জজ মিয়া বাজারে তেল বিক্রিতে অনিয়ম করছেন। আশেপাশের গ্রামের অনেক ক্রেতা সরকারি মূল্যে তেল কিনতে এলেও ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে চাঁদপুর গ্রামের কালু মিয়ার কাছে একসাথে প্রায় ২৫০ লিটার তেল বিক্রি করেন তিনি। এতে স্থানীয় চাষীদের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তারা জানতে পারেন ১৩৫ টাকা লিটার বিক্রি করা হচ্ছে। খবর পেয়ে সাধারণ মানুষের ভিড় জমে। ঘটনাস্থলে আসেন ক্যাম্পের পুলিশ ইনচার্জ রেজাউল করিম।

পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত হলেও কার্যকর কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ২৫০ লিটার ডিজেল নিয়ে পুলিশের সামনেই সটকে পড়েছন কালু মিয়া। এতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীরা। পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা উপস্থিত হয়ে কীভাবে তেল ছেড়ে দিলেন এবং আইনী ব্যবস্থা নিলেন না সেসব প্রশ্নের উত্তর পাচ্ছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই রেজাউল করিম বলেন, মানুষের ভিড় জেনে সেখানে গিয়েছিলাম। কিন্তু মাগরিবের নামাজের সময় হয়ে গিয়েছিল তাই কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category