জানা গেছে, স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন তাকে তালাক দেওয়ায় হাউস আলী ক্ষিপ্ত হয়ে পড়েন। ২০১৬ সালের ৭ মে দিবাগত রাতে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে শ্বাশুড়ী ফুলসুরাতুন (৬৫) এর গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। গুরুতর অবস্থায় তাকে নেওয়া হয় গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। শরীরের ৭০ ভাগ পুড়ে যাওয়ায় পাঠানো হয় মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে। পরের দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃদ্ধার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় বৃদ্ধার মেয়ে আম্বিয়া খাতুন তার প্রাক্তন স্বামী হাউস আলীর নামে গাংনী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে আদালতে চুড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় পুলিশ।
পুলিশের চুড়ান্ত প্রতিবেদন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে হাউস আলীর বিরুদ্ধে সন্দেহাতীতভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হয়। বিজ্ঞ আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৪ (১) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে আমৃত্যু কারাদন্ড এবং ৫০ হাজার জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন।
আদালতের নির্দেশে দণ্ডিত হাউস আলীকে মেহেরপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম এবং বাদী পক্ষে ছিলেন পাবলিক প্রসিকিউটর মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন।