• রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শিশু ধর্ষণের দায়ে মেহেরপুরে এক ব্যাক্তির যাবজ্জীন কারাদন্ড গাংনীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দিনমজুর নিহত, আহত-১ গাংনীতে বোমা সদৃশ বস্তু ও চিরকুট উদ্ধার গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জাতির সাথে প্রতারণা করছে: তাজউদ্দিন খান এমপি গাংনীতে ধর্ষণ চেষ্টা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্যদিয়ে মেহেরপুরে মহান মে দিবস পালিত গাংনীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় মে দিবস পালিত শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে চাই সম্মিলিত উদ্যোগ সিগারেটের প্যাকেটে কিউআর কোড সংযুক্ত করার উদ্যোগে এনবিআরকে বিএনটিটিপির ধন্যবাদ জ্ঞাপন মেহেরপুরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘরে মাদকবাহী প্রাইভেটকার: গাঁজাসহ চালক আটক

ঝিনাইদহে তিন শিশুকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড

বিবর্তন প্রতিবেদক
Update : বুধবার, ১৫ মার্চ, ২০২৩
ঝিনাইদহে তিন শিশুকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড
ঝিনাইদহে তিন শিশুকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড

ঝিনাইদহে তিন শিশুকে পুড়িয়ে হত্যার মামলার একমাত্র আসামি ইকবাল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৫ মার্চ) সকালে ঝিনাইদহ জেলা ও দায়রা জজ মো. নাজিমুদ্দৌলা এ রায় দেন।

ইকবাল হোসেন ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার কবিরপুর মসজিদপাড়া এলাকার গোলাম নবীর ছেলে। তবে রায় ঘোষণার সময় ইকবাল হোসেন আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. ইসমাইল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় উপজেলার কবিরপুর মসজিদপাড়া এলাকার গোলাম নবীর বাড়িতে তিন শিশুকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। গোলাম নবীর দুই ছেলে ইকবাল হোসেন ও দেলোয়ার হোসেনের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এর জেরে ইকবাল তাঁর ছোট ভাই দেলোয়ারের দুই ছেলে মোস্তফা সাফিন (৭) ও মোস্তফা আমিন (১০) এবং বড় বোনের ছেলে মাহিন হাসানকে (১১) ঘরের মধ্যে আটকে রেখে গ্যাস সিলিন্ডারের গ্যাস ছেড়ে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে ওই তিন শিশু পুড়ে মারা যায়।

ঘটনার দিনই ইকবালকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনায় পরে দেলোয়ার বাদী হয়ে ইকবালকে একমাত্র আসামি করে থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় ইকবালকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ২০১৯ সালের ১৭ জুলাই ইকবাল জামিনে মুক্তি পেয়ে কারাগার থেকে বের হন। এর পর থেকেই ইকবাল পলাতক।

এ দিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর শৈলকুপার সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে শহরে শোক র‍্যালি, বিক্ষোভ মিছিল, থানা ঘেরাও ও মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়। সেই সময় পুলিশের পক্ষ থেকে উপযুক্ত বিচারের আশ্বাস দেওয়া হয়।

মামলার রায়ে খুশি হয়েছেন মোস্তফা সাফিন ও মোস্তফা আমিনের মা শিউলী খাতুন। তিনি বলেন, আদালত আসামিকে উপযুক্ত শাস্তি দিয়েছেন। এখন তিনি আশা করছেন, আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে রায় কার্যকর করা হবে।

দুই ছেলেকে হারানোর পর শিউলী খাতুনের কোলজুড়ে এসেছে আরেক ছেলে সন্তান মো. আবদুল্লাহ। চার বছরের এই ছেলেকে নিয়ে তিনি বেঁচে আছেন। রায় কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত তিনি আতঙ্কে আছেন জানিয়ে শিউলী বলেন, ‘সারাক্ষণ ভয় হয়, নতুন করে কিছু না ঘটায়। শুনেছি, ইকবাল জামিনে বের হওয়ার পর থেকে বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছে। গত পাঁচ থেকে ছয় মাস সে আদালতে হাজিরা না দিয়ে পলাতক রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category