• সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কাপড়ে মল ছিটিয়ে মেহেরপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধার ৪৮ হাজার টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র তামাক নিয়ন্ত্রণের বড় বাঁধা কোম্পানির হস্তক্ষেপ আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা: সীমানা খুঁটি ভাংচুরের অভিযোগ গাংনীর কাজীপুর সীমান্তে ৪ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় মালামাল উদ্ধার গাংনীতে মাছ ব্যবসায়ীকে গাছে বেঁধে দুটি ভ্যান ও টাকা ছিনতাই পিকিং স্টার’ হাঁসে স্বাবলম্বী মেহেরপুরের বাঁধন-মাসে আয় ৪ লাখ টাকা দৌলতপুরে মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত গাংনীতে বেতের আঘাতে শিক্ষার্থীর পা ভাঙ্গার অভিযোগ হুজুরের বিরুদ্ধে মেহেরপুরে আন্তর্জাতিক প্রবীণ হিতৈষী দিবস পালিত গাংনীতে ভুট্টার বীজ নিয়ে রিটেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত

গাংনীতে বিদ্যালয়ের কমিটি বাতিলের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

বিবর্তন প্রতিবেদক:
Update : সোমবার, ৪ মার্চ, ২০২৪
গাংনীতে বিদ্যালয়ের কমিটি বাতিলের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন
গাংনীতে বিদ্যালয়ের কমিটি বাতিলের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

মেহেরপুরের গাংনীর মানিকদিয়া ভোলাডাঙ্গা কেশবনগর (এমবিকে) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন কমিটি বাতিলের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ। সোমবার (৪ মার্চ) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম জানান, মানিকদিয়া ভোলাডাঙ্গা কেশবনগর (এমবিকে) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষ হবার পর প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন আমার স্বাক্ষর জালিয়াতি করে খসড়া ভোটার তালিকা প্রস্তুত করেন। নির্বাচনের কোন তারিখ ও ভোটার তালিকা শিক্ষার্থীদেরকে পড়ে শোনানো হয়নি। প্রধান শিক্ষক মানিকদিয়া গ্রামের জনৈক আব্দুর রবকে সভাপতি করে সমস্ত কাগজপত্র যশোর শিক্ষা বোর্ডে প্রেরণ করেন।

অবৈধ লেন দেনের মাধ্যমে গঠিত এ কমিটির বিষয় জানতে পেরে শিক্ষাবোর্ড বিদ্যালয় পরিদর্শক বরাবর একটি আবেদনপত্র দেওয়া হয়েছে। সে আবেদনের প্রেক্ষিতে শিক্ষা বোর্ড মেহেরপুর জেলা প্রশাসককে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। এ ব্যাপারে এলাকাবাসি প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেনকে জিজ্ঞাসা করলেও তিনি কোন সদুত্তোর প্রদান করেনি বরং বিদ্যালয়ে তিন মাস অনুপস্থিত রয়েছেন।

তিনি আরো জানান, আনোয়ার হোসেন গাংনী সরকারী ডিগ্রী কলেজের একজন অফিস সহায়ক। তিনি কলেজে চাকরী করেন এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। বিদ্যালয়ে তিন চারমাস পরপর উপস্থিত হয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেন। একটি রাজনৈতিক দলের ক্ষমতা দেখিয়ে অবৈধভাবে দুটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন। সাবেক সভাপতিসহ এলাকাবাসি প্রধান শিক্ষকের দূর্ণীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিচার দাবী করেন এবং নতুন কমিটি বাতিলের দাবী জানান।

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ছাড়াও বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category