• বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বৃষ্টিতে ডুবেছে চট্টগ্রাম, বুকসমান পানিতে মানুষের ভোগান্তি আর দুর্ভোগ ইরানে আশার আলো ছড়াচ্ছে এশীয় চিতা জাল নোটের প্রচলন রোধে নতুন আইন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী  মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে জাতিকে বিভক্ত না করার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গাংনীতে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে তিনজন আহত মেহেরপুরের উন্নয়ন ভাবনা- কবি রফিকুল ইসলাম মেহেরপুরের নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গাংনীতে টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদককারবারী দুই যুবক আটক গাংনীতে বিজিবি’র অভিযানে অবৈধ ওষুধ ও ভারতীয় মদ উদ্ধার তাপদাহ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহবান

বাজেট সহায়তার আগে অর্থনৈতিক অবস্থা খতিয়ে দেখছে বিশ্বব্যাংক

বিবর্তন বাংলা ডেস্ক
Update : শনিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২২
বাজেট সহায়তা
বাজেট সহায়তা

বাজেট সহায়তা দেওয়ার আগে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা খতিয়ে দেখছে বিশ্বব্যাংক। এর অংশ হিসাবে সোমবার পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলমের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দল। এতে নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির দক্ষিণ এশিয়ার রিজিওনাল ডিরেক্টর ম্যাথিউ ভারগিস।

বৈঠকে উন্নয়ন প্রকল্পের গতি বৃদ্ধি এবং প্রকল্পের কেনাকাটায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ই-জিপি (ই-টেন্ডার) সম্প্রসারণের কথা বলা হয়েছে বলে জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে তার সম্মেলন কক্ষে ব্রিফিং করেন তিনি।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রতিশ্রুত ২৫ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা ছাড় করার আগে তারা বেশ কিছু বিষয় জানতে চেয়েছেন। এর মধ্যে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি, রিজার্ভের অবস্থা, মূল্যস্ফীতি, ভ্যাট আইন সংস্কার, সিপিটিইউকে পাবলিক প্রকিউমেন্ট অথরিটি করার অগ্রগতি এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। উত্তরে প্রতিমন্ত্রী তাদের বলেছেন, আমাদের রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন থেকে কমে গেছে, এটা চ্যালেঞ্জ। কিন্তু আমাদের রপ্তানি বাড়ছে ২৫ শতাংশ হারে। আমদানি বাড়ছে ২৩ শতাংশ হারে। এক্ষেত্রে আমদানির তুলনায় রপ্তানি বাড়ছে। গত এক মাসে রেমিট্যান্স এসেছে দুই বিলিয়ন ডলার। ফলে আমরা এখন স্বস্তিদায়ক অবস্থায় আছি। ফলে রিজার্ভের ওপর চাপ কমবে। এত দুর্যোগের মধ্যেও আমাদের বিনিময় মূল্য স্থিতিশীল আছে। কোথাও উৎপাদন ব্যাহত হয়নি। অর্থনীতি আমাদের আয়ত্তে আছে। তবে রিজার্ভ ধরে রাখতে আমাদের বাজেট সহায়তা প্রয়োজন। প্রচুর বৈদেশিক ঋণ এবং সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ দরকার।

সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের গতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মেগা প্রকল্পসহ দেশের সব প্রকল্পের গতি বৃদ্ধির প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। আমরা গ্রিন গ্রোথে (সবুজ প্রবৃদ্ধি) গুরুত্ব দিচ্ছি। তবে ব্যবস্থাপনার অদক্ষতাই প্রকল্প বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ। এক্ষেত্রে উন্নয়ন করা হচ্ছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধানে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলকে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাংকের কাছে নতুন করে ১০০ কোটি ডলার এবং আগে প্রতিশ্রুত ২৫ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা দ্রুত ছাড় করতে অনুরোধ জানায় সরকার। এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিনিধি দলটি বাংলাদেশ সফর করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category