• রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কুষ্টিয়ার গ্রামে গ্রামে কুমড়ো বড়ি তৈরীর ধুম গাংনীতে জোরপূর্বক জ‌মি দখ‌লের অপ‌চেষ্টার বিরু‌দ্ধে সংবাদ সম্মেলন গাংনীতে নাশকতা মামলায় বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর গ্রেফতার মেহেরপুর রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ায় বাড়ছে প্রতিবন্ধীর সংখ্যা একই পরিবারে ১৭ জন প্রতিবন্ধী মেহেরপুর জেলা পরিষদের রেস্ট হাউজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন গাংনীর সাহারবাটি গ্রামের সাবেক মেম্বার রুহুল কুদ্দুসের দাফন সম্পন্ন কুষ্টিয়ায় ট্রাকের ধাক্কায় ঝরলো দুটি প্রাণ প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গাংনী প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির শপথ অনুষ্ঠিত

মেহেরপুরে হত্যা মামলায় তিন জনের যাবজ্জীবন

বিবর্তন প্রতিবেদক / ২৬৮ Time View
Update : রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২
যাবজ্জীবন
মেহেরপুরে হত্যা মামলায় তিন জনের যাবজ্জীবন

মেহেরপুরে গাংনীতে তহিদুল ইসলাম ও বাহাজেল হত্যা মামলায় তিন জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।

আসামীদের মধ্যে বাদল জেল হাজতে রয়েছে বাকি দুই জন আলামিন হোসেন ও হাশেম আলী পলাতক রয়েছে। রবিবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচার রিপতি কুমার বিশ্বাস এ দন্ডাদেশ প্রদান করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, মেহেরপুর সদর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের আব্দুল ওহাবের ছেলে তহিদুল ইসলাম গাংনী উপজেলার নওয়া পাড়ায় বাহাজেলের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ২০০৫ সালের ৫ জানুয়ারী রাত সাড়ে ৮ টার দিকে তারা একটি চৌকির উপর বসে গল্প করছিলো।

এ সময় একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে। তাদের দেখে তহিদুল ইসলাম পালিয়ে গিয়ে একটি ঘরের কোনে অবস্থান নেয়।

সন্ত্রাসীরা তাকে না পেয়ে বাহাজেলকে অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে। পরে তহিদুল ইসলামকে অপহরণ করে নিয়ে যায় তারা। পরদিন গাংনী উপজেলার ধলা গ্রামের ভারতী সীমান্তে তহিদুলে লাশ পাওয়া যায়।

এদিকে বাহাজেলকে প্রথমে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে কুষ্টিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাহাজেল মারা যান।

২০০৫ সালে ৭ জানুয়ারী গাংনী থানায় ১৫ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করে নিহতের ভাই আমিনুল ইসলাম। ঐ মামলায় ২০০৫ সালের ৮ মে ১৩ জনকে আসামী করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন তৎকালীন গাংনী থানার এস.আই মেজবা উদ্দীন আহম্মেদ ও এস.আই আনোয়ার আলম আজাদ।

১৮ জন সাক্ষির সাক্ষ্য শেষে আদালতে ঐ মামলার রায় ঘোষণা করেন বিচারক। মামলায় সরকারি পক্ষের আইনজীবি ছিলেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাড. কাজী শহিদুল ইসলাম ও আসামী পক্ষের আইনজীবি ছিলেন অ্যাড. এ.কে.এম শফিকুল আলম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category