• রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কুষ্টিয়ার গ্রামে গ্রামে কুমড়ো বড়ি তৈরীর ধুম গাংনীতে জোরপূর্বক জ‌মি দখ‌লের অপ‌চেষ্টার বিরু‌দ্ধে সংবাদ সম্মেলন গাংনীতে নাশকতা মামলায় বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর গ্রেফতার মেহেরপুর রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ায় বাড়ছে প্রতিবন্ধীর সংখ্যা একই পরিবারে ১৭ জন প্রতিবন্ধী মেহেরপুর জেলা পরিষদের রেস্ট হাউজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন গাংনীর সাহারবাটি গ্রামের সাবেক মেম্বার রুহুল কুদ্দুসের দাফন সম্পন্ন কুষ্টিয়ায় ট্রাকের ধাক্কায় ঝরলো দুটি প্রাণ প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গাংনী প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির শপথ অনুষ্ঠিত

মেহেরপুরে জামাতার মামলায় শশুরের জেল জরিমানা

বিবর্তন ডেস্ক / ১৬৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট, ২০২২

জামাতার দায়ের করা চেক ডিজঅনার মামলায় শশুর আনোয়ারুল ইসলামকে এক বছর কারাদন্ড ও তিন কোটি টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেনে মেহেরপুর যুগ্ম জেলা জজ দ্বিতীয় আদালত।
মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) দুপুরে মেহেরপুর যুগ্ম জেলা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক এইচ এম কবির হোসেন এ আদেশ দেন। দন্ডিত আনোয়ারুল ইসলাম গাংনী উপজেলার গাঁড়াবাড়িয়া গ্রামের মৃত নুরুল হক বিশ্বাসের ছেলে। বাদী একই গ্রামের হাজী আমিনুল ইসলামের ছেলে এবং গাংনীর কাথুলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান রানা।
মামলার বিবরনে জানা গেছে, জামাতা মিজানুর রহমান রানা ও শশুর আনোয়ারুল ইসলাম এক সাথে ব্যবসা করতেন। ব্যবসায়ীক লেনদেনের কারনে শশুরের কাছে জামাতার ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা পাওনা হয়। এই পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য জামাতাকে ২০২০ সালের জুন মাসের ৮তারিখে তার নিজ নামীয় জনতা ব্যাংক মেহেরপুর শাখার একটি চেক প্রদান করেন। টাকা উত্তোলনের জন্য চেকটি ব্যাংকে দিলে ঐ হিসাব নম্বরে টাকা নেই বলে জানিয়ে ডিজঅনার সার্টিফিকেট দেই ব্যাংক। বিষয়টি তিনি শশুরকে জানালে তিনি দু:খ প্রকাশ করে এক সপ্তাহ সময় নেন। এরপর শুরু হয় বিভিন্ন সময় নিয়ে কাল ক্ষেপন করতে থাকেন। কিছুদিন পরে আসামির বিরুদ্ধে বিধানমতে ডাকযোগে একটি নোটিশ প্রদান করেন। এছাড়া চেকের টাকা পরিশোধ করে চেকটি ফেরত অথবা বাতিল করার অনুরোধ করে স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় এনআই এ্যাক্টের ১৩৮ ধারা মতে লিগ্যাল নোটিশ প্রকাশিত হয়।
কোনো জবাব না দেওয়ায় এন আই এ্যাক্ট ১৮৮১ এর ১৩৮(১)(খ) ধারায় মামলাটি করেন বাদি। যার সেশন মামলা নং ৮৬/২০ ইং। মামলায় তিন জন স্বাক্ষী তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন।
মামলার বাদী কাথুলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান রানা বলেন, এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট। এই রাইয়ের মাধ্যমে আদালতে আইন সবার জন্য সমান প্রমান করেছে।
মামলায় বাদী পক্ষের আইনজীবি ছিলেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট পল্লব ভট্টচার্য ও আসামি পক্ষে আইনজীবি ছিলেন অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category