অপরিকল্পিত ও দ্রুত নগরায়নের ফলে পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের উপর অত্যন্ত নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। নগরবাসীর মধ্যে অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে আশঙ্কাজনক হারে। বিশেষত শহরে মাঠ-পার্ক-গণপরিসরের অভাবে পর্যাপ্ত শারীরিক কার্যক্রমের সুযোগ না থাকায় শিশুরা অনেক বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।
১১-১৭ বছর বয়সের মধ্যে বিশ্বের প্রায় ৮০ শতাংশ শিশু শারীরিক কার্যক্রমে সক্রিয় নয়। বিদ্যালয়ে হেঁটে যাতায়াতের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় শারীরিক কার্যক্রমের চাহিদা পূরণ সম্ভব। পাশাপাশি হেঁটে যাতায়াতের মাধ্যমে সংঘটিত ট্রিপের সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে যান্ত্রিক যানের ব্যবহার কমিয়ে আনা হলে বায়ুদূষণ ও শব্দদূষণ উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে। এতে দূষণজনিত বিভিন্ন অসংক্রামক রোগ হ্রাসের পাশাপাশি জলবায়ু বিপর্যয়ও প্রতিরোধ করা সম্ভব।
বৃহষ্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে লালমাটিয়া হাউজিং সোসাইটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর প্রকল্প কর্মকর্তা প্রমা সাহা’র সঞ্চালনায় এবং লালমাটিয়া হাউজিং সোসাইটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ আকমল হোসেন এর সভাপতিত্বে “হেঁটে যাই বিদ্যালয়, দেহ-মন সুস্থ রয়” শীর্ষক কার্যক্রমের কিক-অব মিটিং এ বক্তারা এ অভিমত ব্যক্ত করেন।
বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর পরিচালক গাউস পিয়ারী, লালমাটিয়া হাউজিং সোসাইটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক শায়লা খাতুন, ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট এর প্রকল্প কর্মকর্তা ইমরান মিয়া, ডকুমেন্টেশন অফিসার বাবুল মিয়া।
বক্তারা বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আমরা হেঁটে যাতায়াতে উৎসাহিত করি। এর মাধ্যমে শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি অর্থ সাশ্রয় হয় এবং পরিবেশ দূষণ হ্রাস পায়। এলাকায় হাঁটার পরিবেশ ঠিক রাখতে সকল স্তরের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। এলাকাবাসী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের এক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে। ঢাকা শহরের হাঁটার পরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় সাধন প্রয়োজন। কর্মসূচিতে আরো উপস্থিত ছিলেন, লালমাটিয়া হাউজিং সোসাইটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ, এলাকাবাসী, অভিভাবকগণ।