মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়ার মিথ্যা মামলা দায়ের করায় মামলার বাদী আদম আলীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
বুধবার (৫ জুলাই) দুপুরের দিকে মেহেরপুর সিনিয়ার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতের বিচারক এস, এম,শরিয়ত উল্লাহ্ মামলার বাদী আদম আলীকে কারাগারে পাঠাবার নির্দেশ দেন।
আদম আলী মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার নিশিপুর গ্রামের ইয়াকুব আলী ছেলে।
জানা গেছে নিশিপুর গ্রামের আদম আলী ২০২২ সালের ১৪ ডিসেম্বর মেহেরপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে গাংনী উপজেলার মহেশপুর গ্রামের মনসুর আলী ছেলে রবিউল ইসলাম, গোলাম রসুলের ছেলে আব্দুল কুদ্দুস এবং সাবের আলীর ছেলে আবু সামার নামে একটি ছিনতাই এর মামলা দায়ের করেন।
মামলার আরজিতে আদম আলী উল্লেখ করেন, ঘটনার পূর্বে তার নিকট থেকে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা দিতে না পারায় ঘটনার দিন বালু বিক্রয়ের ৮৫ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে গাংনী বামুন্দির মাঝামাঝি চোখ তোলার মাঠ নামক স্থানে আসামিরা ৮৫ হাজার টাকা সহ মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেই ।
পরে মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রাথমিক তদন্ত শেষে ছিনতাই এর ঘটনাটি সাজানো বলে প্রতিবেদন দাখিল করেন। বুধবার দুপুরের দিকে বিচারক এস,এম শরীয় উল্লাহ্ মামলার রায় দেন রায়।
তিনি ছিনতাই মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়ে অগ্রসর হবার মতো যথেষ্ট কারণ না থাকায় ফৌজদারী কার্যবিধির ২০৩ ধারা বিধান মোতাবেক মামলাটি খারিজ করে দেন।
একই সাথে নালিশ কারী কর্তৃক সংঘটিত অপরাধ ২১১ ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে আদালতের নিকট প্রতিমান হওয়ায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলা করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। এবং নালিশকারী মোঃআদম আলীকে কারাগারে পাঠাবার নির্দেশ দেন। মামলায় আসামিদের পক্ষে কৌশলী ছিলেন এ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান রিপন।