মেহেরপুর সদর উপজেলার তেরঘরিয়া ও শোলমারি এলাকায় দুটি সারের দোকানে অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বুধবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সজল আহমেদের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
ভোক্তা অধিকার সূত্রে জানা গেছে, তেরঘরিয়া ও শোলমারি এলাকায় অভিযানে মুদিখানা, ফার্মেসী, সার-কীটনাশকসহ বেশকিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের প্রতিষ্ঠানে তদারকি করা হয়। এসময় তেরঘরিয়ায় মেসার্স আওয়াল ভদ্র ট্রেডার্স নামক প্রতিষ্ঠানে বেশি মূল্যে সার বিক্রির অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৪০ ধারায় ৩ হাজার টাকা এবং একই এলাকায় মেসার্স মামুন ট্রেডার্স নামক অপর একটি প্রতিষ্ঠানকে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রয়, ক্রয়-বিক্রয় ভাউচার সংরক্ষণ না করা এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ কীটনাশক বিক্রয়ের অপরাধে ৪০ ও ৫১ ধারায় ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় জব্দকৃত মেয়াদ উত্তীর্ণ ও খারাপ পণ্যগুলো জনসম্মুখে নষ্ট করা হয়।
অপরদিকে মেহেরপুরে স্বর্ণ জালিয়াতির অভিযোগে শহরের শিল্পকলা মোড় এলাকায় পল্লী শ্রী গিনি জুয়েলার্সে অভিযান পরিচালনা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের ভ্রাম্যমাণ আদালত। উন্নত মানের স্বর্ণ নিয়ে নিম্মমানের স্বর্ণ প্রদান, ও পাওনাকৃত স্বর্ণ না দেওয়ায় দুর্লভ খাঁ নামের এক ভোক্তার এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এবিষয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সজল আহমেদ জানান, রাইপুর এলাকার বাসিন্দ দুর্লভ খাঁ পল্লী শ্রী গিনি জুয়েলার্সে ১ ভরি ১২ আনা স্বর্ণ দিয়েছিলেন তার গহনা তৈরীর জন্য। কিন্তু ৩ মাস অতিবাহিত হলেও গহনা না দিয়ে ঘুরাচ্ছিলেন এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান চালানো হয়। আগামী ১ মাসের মধ্যে ১ ভরি ১২ আনা স্বর্ণ ভোক্তাকে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।