মেহেরপুরে সোহাগ হোসেন নামের এক প্রাইভেট শিক্ষককে লাঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে এস এম ফয়েজ নামের এক কথিত সাংবাদিকের বিরুদ্ধে।
বুধবার দুপুরের দিকে শহরের কলেজ মোড় এলাকায় ওই শিক্ষককে ডেকে লাঞ্চিত করে ওই সাংবাদিক। অভিযুক্ত ফয়েজ গাংনী উপজেলার বাশবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে সে শহরের কলেজ মোড় এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করে।
জানা গেছে, সোহাগ হোসেনের ছোট শশুর শফিকুল ইসলাম কাদা চিৎলা পাট বীজ খামারে লেবার পদে চাকরি করে। ওই সাংবাদিক আমাদের মাতৃভূমি নামের একটি পত্রিকায় শফিকুল ইসলাম কাদার নামে উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে একটি সংবাদ প্রকাশ করে। কাদা সংবাদ প্রকাশের বিষয়টি মেয়ে জামাই সোহাগ হোসেনকে অবগত করে। সোহাগ বিষয়টি জানতে ফয়েজের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে।
ফয়েজ সংবাদ প্রকাশের বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে উল্টো সোহাগকে গালাগালি করে। পরে সোহাগ ফয়েজের ভাড়া বাড়ি এলাকায় গিয়ে অন্য একটি নম্বর থেকে যোগাযোগ করলে ফয়েজ সোহাগকে অশ্রাব্য ভাষায় আবারও গালাগালি করে। এসময় সোহাগ গালাগালির কারণ জানতে ফয়েজের বাড়ির সামনে গেলে সোহাগকে মারধর করে আহত করে।
খবর পেয়ে সোহাগের আত্মীয়স্বজন তাকে উদ্ধার করে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়। ঘটনা জানতে স্থানীয় লোকজন ফয়েজের বাড়িতে গেলে ফয়েজের দুই মেয়ে ও স্ত্রী কোন কারণ ছাড়াই স্থানীয়দের ভিডিও ধারণ করে। স্থানীয়রা জানান, ফয়েজ মূলত একজন সাংবাদিক নামধারী চাঁদাবাজ। সে কোন মূলধারার সাংবাদিক নয়। অথচ সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে সে চাঁদাবাজি করে জীবীকা নির্বাহ করে। প্রশাসনের কাছে এধরণের কথিত, চাঁদাবাজ ও নামধারী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান স্থানীয়রা।
এবিষয়ে জানতে ফয়েজকে একাধিকবার ডাকা হলেও কোন কথা বলতে রাজি হয়নি।