বই মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে ধাবিত করে। বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের যুগ। এতে নানাকাজে সাফল্য আসছে ভাবনার চেয়েও বেশি। সব বয়সী মানুষ এই বিপ্লবের সাথে তাল মেলাতে গিয়ে কেউ কেউ হচ্ছেন বিপদগামী। সামাজিক ও পারিবারিক শাসন ব্যবস্থা মুখ থুবড়ে পড়ছে।
সমাজ, রাষ্ট্র এমনকি সারা পৃথিবীর জন্য সোনার মানুষের অভাব যেন ক্ষনে ক্ষনে উপলদ্ধ। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে বিবেকবোধ সম্পন্ন সোনার মানুষ তৈরী করতে হবে। আর এলক্ষ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে বই পড়ার অভ্যাস।
শুক্রবার (১ নভেম্বর) রাতে গাংনী পাবলিক লাইব্রেরী ও সমজোর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আলোচনায় বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
বক্তারা আরও বলেন, বই পড়ার অভ্যেস পরিবর্তন হচ্ছে। গাংনীর একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে পাবলিক লাইব্রেরী বই সংরক্ষণ ও বই পড়া অব্যহত রেখেছে। নানা প্রতিকুল পরিবেশ মোকাবেলা করেই তারা পাঠকদের কাছে সময়োপযোগী বই নিয়ে হাজির হচ্ছে। তাই সর্ব মহলে প্রশংসিত। এই মহতি উদ্যোগের সাথে একাত্ব প্রকাশ করে সব ধরনের মানুষকে বই পড়তে উদ্বুদ্ধ করা এখন সময়ের দাবি। যে কাজটি করে যাচ্ছে পাবলিক লাইব্রেরী।
অন্যদিকে সমাজের মানুষের মঙ্গলে সব সময় কাজ করা সমজোর স্বেচ্ছসেবী সংগঠনেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গাংনী পাবলিক লাইব্রেরী সভাপতি মোখলেছুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদ খাইরুল আলম গাজর।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নজরুল ইসলাম, আল মামুন পিন্টু, ইফতেখার হোসেন রাজা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মকবুল হোসেন মেঘলা, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাহিদুল ইসলাম ও ইনামুল হক, পাবলিক লাইব্রেরী উপদেষ্টা রফিকুল আলম বকুল, সমজোর উপদেষ্টা রাশিদুল ইসলাম বোরহান, মেহেরপুর প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল হক মানিক, গাংনী প্রেস ক্লাব সভাপতি তৌহিদ-উদ-দৌলা রেজা, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম ও সমজোর উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান কাজল ও মহাব্বত আলী।
পাবলিক লাইব্রেরীর ধর্ম ও কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ মাও. জাহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন পাবলিক লাইব্রেরী সভাপতি বাবুল হোসেন জনি এবং সাধারণ সম্পাদক আল আমিন হোসেন আকাশ।
অনুষ্ঠানে পাবলিক লাইব্রেরী ও সমজোর এর নতুন কমিটির সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করেন অনুষ্ঠানের অতিথিবৃন্দ।