মেহেরপুরের গাংনীতে গ্রাম আদালত সক্রিয় করণের লক্ষে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার বামন্দী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে উপজেলা তথ্য আপার পরিচালনায় উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় বামন্দী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মোঃ হিরক হোসেনের বাড়িতে উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রীতম সাহা।
এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রীতম সাহা বলেন, গ্রাম আদালত হল সরকারের আইনী আদালত, গ্রাম আদালতের এখতিয়ার ভূক্ত মামলা গ্রাম আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করলে উচ্চ আদালতের মামলার জট কমবে এবং সামান্য নাম মাত্র খরচে স্থানীয়ভাবে ছোট-খাটো বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে। গ্রাম আদালত আইন ও বিধি অনুযায়ী ফৌজদারী মামলার ফিস ১০/= টাকা ও দেওয়ানী পালার ফিস ২০% টাকা ধার্য্য রয়েছে। এ মামলায় বেশি খরচ করতে হয় না।
তিনি গ্রাম আদালতের সুবিধা, গ্রাম আদালতের এখতিয়ার, আমলী আদালত গমন, গ্রাম আদালত কত জন সদস্য নিয়ে গঠিত হয় এ বিষয় বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি আরও বলেন গ্রাম আদালত সরকারের আইনী আদালত গ্রাম আদালতে নাম মাত্র খরচে ৩০০০০০/- (তিন লাখ) টাকা মূল্যমানের দেওয়ানী ও ফৌজদারী বিরোধ নিষ্পত্তি করতে পারে। গ্রাম আদালতে নারী ও শিশুর স্বার্থ জড়িত থাকলে নারী সদস্য প্রতিনিধি মনোনয়ন করতে হয়। গ্রাম আদালতে কোন আইনজীবি প্রয়োজন হয় না। বিচার প্রার্থীগণ নিজের কথা নিজে বলতে পারেন তাই ৩০০০০০/ (তিন লাখ/টাকার মধ্যে কোনো ছোট খাটো বিরোধ ঘটলে গ্রাম। আদালতের মাধ্যমে নিষ্পতির জন্য আহবান জানান। উঠান বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা নিবার্চন অফিসার মোঃ কামরুল হাসান, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ আরশাদ আলী, বামন্দী ইউনিয়ন চেয়রম্যান ওবাইদুর রহমান কমল, উপজেলা তথ্য সেবা কর্মকতা রিফাত জাহান, উপজেলা গ্রাম আদালত প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী বাবুল আক্তার, প্রকল্প জেলার পিএফএ মোঃ সাহজুল ইসলামসহ আরও অনেকে।