বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, ‘গুপ্ত ও সুপ্ত’ দুটি সংগঠন ঐক্যবদ্ধভাবে বিএনপির প্রার্থীদের পরাজিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তি এবং ২০২৪ সালের পরাজিত শক্তির ঐক্য অনেক পুরোনো। এই ঐক্যের ইতিহাস বর্তমান প্রজন্মের অনেকের কাছে অজানা হলেও বয়োজ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বিষয়টি ভালোভাবে জানেন।
বৃহস্পতিবার(২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মেহেরপুর পৌর কমিউনিটি সেন্টারে মেহেরপুরে সাংগঠনিক সফর উপলক্ষে জেলা বিএনপির আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং নির্বাচনের আগে এবং নির্বাচনের পর পরিবর্তিত সরকারকে অস্থিতিশীল করার একটি সুপরিকল্পিত অংশ। তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিকভাবে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে জনগণের ভোটাধিকারকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছে। ‘মনে রাখবেন, তাদের রাগ যতটা বিএনপির প্রতি, তার চাইতে বেশি রাগ বাংলাদেশের জনগণের প্রতি।’ তিনি অভিযোগ করেন, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার আদর্শ এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিশ্বাসী নয়, তারাই জনগণের ভোটাধিকারকে বাধাগ্রস্ত করার রাজনীতি করেছে। যদি তারা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে বিশ্বাস করত, তাহলে ২০১৪ সালের নির্বাচন আয়োজন করত না। পরবর্তী সময়ে দিনের ভোট রাতে করার যে অভিযোগ উঠেছিল, সেটিও তাদের রাজনৈতিক চর্চার অংশ ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর দাবি, এসব কর্মকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য ছিল জনগণকে ভোটাধিকার থেকে দূরে রাখা।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্টরা ধারণা করেছিল বাংলাদেশের জনগণ ভোট দেওয়ার সুযোগ পেলে বিএনপিকে ভোট দেবে। এ কারণেই তারা দীর্ঘদিন ভোট বিমুখী রাজনৈতিক চর্চা করেছে। কিন্তু যখন জনগণকে ভোট দেওয়া থেকে বিরত রাখা সম্ভব হয়নি, তখন ‘গুপ্ত ও সুপ্ত’ সংগঠন ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে।